কটক: ৬ উইকেটে ৩০৮ রান তুলে প্রথমদিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলা। ক্রিজে ১৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলা শতরানকারী অনুষ্টুপ মজুমদার ও বল-ব্যাট হাতে গত দু’ম্যাচে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেওয়া শাহবাজ আহমেদ। ৮২ রানে অপরাজিত শাহবাজের ইনিংস দীর্ঘায়িত হল না দ্বিতীয় দিন সকালে। দিনের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে কোনও রান যোগ না করেই সাজঘরে ফেরেন শাহবাজ।

তবে ১৪ রান দূরে দাঁড়িয়ে থাকা অনুষ্টুপ দেড়শত রানের গন্ডিটি পার করেন দ্বিতীয়দিন সকালে। তবে এরপর আর লম্বা হয়নি তাঁর ইনিংস। ১৫৭ রানে যবনিকা পড়ে অনুষ্টুপের ঝকঝকে ইনিংসে। ব্যাট হাতে বিশেষ কিছু করে দেখাতে পারেননি ব্যাটিং অর্ডারের শেষ তিন ব্যাটসম্যান। অনুষ্টুপ আউট হতেই দ্বিতীয়দিন সকালে শেষ হয় বাংলার প্রথম ইনিংস। প্রথমদিনের রানের সঙ্গে এদিন ২৬ রান যোগ করে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস।

তবে গতকাল টপ-অর্ডারে ধসের পর সপ্তম উইকেটে অনুষ্টুপ-শাহবাজের ১৭৩ রানের দুরন্ত পার্টনারশিপেই শেষ চারের স্বপ্ন দেখছে বাংলা। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার কটকে টস জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠায় ওডিশা। শুরুতেই পর পর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। মাত্র ৪৬ রানে বাংলার অর্ধেক ইনিংস গুটিয়ে যায়। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই ফিরে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন(৭), কৌশিক ঘোষ(৯) এবং অভিষেক রমন(১)। চারে নেমে অর্ণব নন্দী ২৪ এবং গত ম্যাচের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ মনোজ তিওয়ারি মাত্র ৪ রান করে ড্রেসিংরুমে ফেরেন।

হাল ধরেন অনুষ্টুপ। প্রথমে শ্রীবৎস গোস্বামী ও পরে শাহবাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলার ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান৷ ষষ্ঠ উইকেটে শ্রীবৎসবের সঙ্গে ৯৬ রান যোগ করেন অনুষ্টুপ। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৪ রানে শ্রীবৎস ফিরে যাওয়ার পর অনুষ্টুপের সঙ্গে বাংলা ইনিংসের হাল ধরেন আগের ম্যাচে বল হাতে কামাল করা শাহবাজ। ২২টি বাউন্ডারি দিয়ে সাজানো ছিল অনুষ্টুপের ১৫৭ রানের ইনিংস। অন্যদিকে শাহবাজের ইনিংসে ছিল ১৩টি বাউন্ডারি।

বাংলার ৩৩২ রানের জবাবে দ্বিতীয়দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ওডিশার রান ১ উইকেটে ২০। ওপেনার অনুরাগ সারাঙ্গিকে ইতিমধ্যেই প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে দিয়েছেন নীলকান্ত দাস। শেষ চার নিশ্চিত করতে ঈশ্বরণদের ভরসা এখন বোলাররাই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ