coronavirus
ফাইল ছবি

কলকাতা: দেশের অন্য অংশের মতোই করোনা বেড়ে চলেছে বাংলাতেও। সংক্রমণ রোধে কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন ঘোষণা করার পরেও বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। এমতাবস্থায় রাজ্যে সংক্রমণের ওপর লাগাম টানতে ইউরোপ থেকে মেশিন আনাচ্ছে বাংলা।

জানা গিয়েছে, ওই যন্ত্রটি সম্পূর্ণ অটোমেটিক। এর নাম Cobas 6800। সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা থেকে এই মেশিন আনানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই উন্নত মানের মেশিন ব্যবহার করে প্রতিদিন ১ লক্ষ করোনা টেস্ট করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, এই মেশিনটি মে মাসে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, মনে করা হচ্ছে অগস্টের মাঝামাঝি নাগাদ সেটি পৌঁছে যাবে। জানা গিয়েছে, মোট ৬৮০০ টেস্টিং মেশিন কিনছে রাজ্য সরকার।

এই যন্ত্র ব্যবহারের জন্য ইতিমধ্যে কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ও নাইসেডের বেশ কয়েকজন টেকনিশিয়ানের এই প্রশিক্ষণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক।

বর্তমানে রাজ্যে গড়ে প্রতিদিন ১০,০০০-এর কিছু বেশি করোনা টেস্ট হচ্ছে। এ যন্ত্র এলে সেই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লক্ষে। এছাড়া এখন যেখানে প্রতিদিন করোনা পরীক্ষায় রাজ্য সরকারের ২ – ২.৫ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। সেখানে ওই যন্ত্র চলে এলে খরচ হবে অনেক কম। ফলে লাভ হবে দু-দিক থেকেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।