ফাইল ছবি

প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : বাংলায় জনতা দল ইউনাইটেডে বড়সড় ভাঙন ধরাল শাসকদল তৃণমূল। বিহারের নীতিশ কুমারের দল ধীরে ধীরে বাংলায় প্রভাব বাড়াচ্ছিল। সেই দলের বড় অংশ ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করল। জনতা দল ইউনাইটেডের বাংলার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত যুব সভাপতি পঙ্কজ ধরের নেতৃত্বে এই রাজ্যের ৪ জন জেডিইউ নেতা ও নেত্রী তৃণমূলে যোগ দিলেন।

নোয়াপাড়ায় গারুলিয়া পুরসভার পুর প্রশাসক সঞ্জয় সিংয়ের হাত ধরে জেডিইউ ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগদান করেন। গারুলিয়া পুরসভা এলাকায় থাকেন পঙ্কজ ধর। দীর্ঘদিন নীতিশ কুমারের দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

পঙ্কজ ধরের বক্তব্য, “বাংলায় জে ডি ইউয়ের হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার কোনও সুযোগ নেই । মানুষের জন্য কাজ করতে পদ লাগে না। আমি, এই জেলার যুবর দ্বায়িত্বে থাকা জেডিইউ নেতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের নেত্রী ও সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আজ জেডিইউ ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলাম । লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃতীয় বারের জন্য ২৫০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসা । সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চাই । দিদির উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”

এই বিষয়ে গারুলিয়া পুরসভার পুর প্রশাসক সঞ্জয় সিং বলেন, “আমাদের দল গারুলিয়া এলাকায় আরও শক্তিশালী হল। এই অঞ্চল থেকে কেউ বিজেপিতে যোগ দেয়নি, পরিবর্তে তৃণমূলে যোগদান চলছে। যারা আমাদের দলে আসল, তারা কাজের সুযোগ পাবেন। মানুষের জন্য কাজ করতে রাজনীতি বাঁধা হবে না।”

উল্লেখ্য, বাংলায় ২১-এর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী দেবে নীতীশ কুমারের জেডিইউ। তবে, বিজেপির সহযোগী হয়ে নয়, বঙ্গে একাই লড়বে বিহারের শাসক জোটের শরিক জেডিইউ। এখও পর্যন্ত স্থির রয়েছে ৭৫টি আসনে প্রার্থী দেবে নীতীশের দল। তবে আসনগুলি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে নীতিশ কুমারের দল সূত্রের খবর। বলা প্রয়োজন। আসন্ন ভোট ঘিরে বঙ্গ রাজনীতির উত্তাপ তুঙ্গে। বাংলা দখলে পাখির চোখ বিজেপির। ইতিমধ্যে অমিত শাহ ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, ২০০ এরও বেশি আসন পাবে বাংলায় বিজেপি। আর সেই লক্ষ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি।

এককভাবেই তৃণমূলে বিরুদ্ধে লড়ে জয় হাসিলকেই পাখির চোখ করেছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। এই অবস্থায় বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিতে চলেছেন নীতিশ কুমার। যা রাজ্য-রাজনীতিতে বেশ চমকপ্রদ বলেই জানাচ্ছেন রাজনৈতিকমহল।

মূল হিন্দি বলয়ের দল জেডিইউ। বিহারের রাজনীতিতেই তাদের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ। মূলত বাংলার হিন্দু অ-বাঙালি ভোটই তাদের নজরে।

রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, বঙ্গ রাজনীতিতে নীতিশের দলের প্রার্থী দেওয়া আসলে বিজেপির একটা ছক! তৃণমূলের সঙ্গে ভোট কাটাকাটি করতেই কি এই ছক? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।