কলকাতা: চলতি বছরেই রাজ্য ১৮.৫ লক্ষ টন মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চলেছে ৷ সিআইআই আয়োজিত ফিসারিজ কনক্লেভ-এ এসে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ৷ তিনি জানান গত বছর ১৭.৪ লক্ষ মেট্রিক টন উৎবাদন হয়েছিল৷ মাছের চাহিদা বাড়ায় লক্ষ্যমাত্রাও বাড়ান হয়েছে ৷ এ রাজ্য থেকে চিংড়ি রফতানির পরিমাণ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০,০০০ টন যা থেকে আয় হচ্ছে প্রায় ৮০০০ কোটি টাকা বলে মন্ত্রী এদিন জানান৷ রাজ্যের নোনা জলের ১৫ শতাংশ কাজে লাগান হয়েছে চিংড়ি চাষে৷

এদিকে রাজ্যে মৎস্য উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৌমজিৎ মহাপাত্র জানান, সর্বোচ্চ উৎপাদন করাটাই মৎস্য উন্নয়ন নিগমের লক্ষ্য৷ তাছাড়া নতুন প্রজাতির মাছ মৎস্য চাষীদের দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে ৷ তাছাড়া অনলাইন কোল্ডচেন বাজার গড়ার পাশাপাশি প্যাকেজিং-এর ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে৷

তবে সিফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসেসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য শাখার সভাপতি রাজর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে , এ রাজ্যে ছোট ছোট জমির মালিকানা, বিদ্যুতের বেশি দাম এবং ইজারার ভাড়া বেশি হওয়ায় চিংড়ি চাষের অন্তরায় হয়ে যাচ্ছে কারণ এর ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে৷ তিনি জানান গড়ে এ রাজ্যে এক কেজি চিংড়ি উৎপাদনে খরচ হয় ২২০-২৪০ টাকা সেখানে অন্ধ্রপ্রদেশে খরচ হয় প্রতি কেজিতে ১৮০ টাকা৷ তাছাড়া বিদেশের বাজারে চিংড়ির দাম পড়ে গেলে চিংড়ি চাষি ও রফতানিকারকদের চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন৷