কলকাতা: শেল গ্যাস এ রাজ্যের লগ্নির মানচিত্রের পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ যার আগামী কয়েক বছরে ৫০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু তা সফল হতে পারে শুধুমাত্র সঠিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো, পরিবেশগত বা সামাজিকগত দিক থেকে সুপরিচালিত করে৷

নতুন লাইসেন্স নেওয়ায় সিবিএম ব্লক থেকে গ্রেট ইষ্টার্ন এনার্জি কোর্প এবং এসার অয়েল যারা রাণীগঞ্জে সিবিএম উৎপাদন করে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে এখানে শেল গ্যাস অন্বেষণ এবং নিষ্কাশন করে৷

কলকাতায় ফিকি আয়োজিত সভায় গ্রেট ইষ্টার্ন এনার্জি কোর্প-এর এমডি ও সিইও প্রশান্ত মোদী জানান, গ্রেট ইস্টার্ন ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে আগামী ১০ বছরে ২ বিলিয়ন ডলার শেল গ্যাস নিষ্কাষণ৷ সেক্ষেত্রে লগ্নির অংক প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা হতে পারে৷ এজন্য তিনি সহায়ক নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং লাইসেন্স-এর মেয়াদ বাডা়নোর কথা তুলেছেন৷ কেননা তা না হলে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ কার্যকরী হবে না৷

অন্যদিকে এসার অয়েলেরও লগ্নির অবস্থা প্রায় একই রকম অবস্থা৷ গ্রেট ইস্টার্নের হাতে থাকা কোল বেড মিথেন ব্লকে রয়েছে প্রায় ৬.৬৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট শেল যার থেকে ১.৭ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট তোলা হয়েছে৷ রাণীগঞ্জ ব্লকে ৭.৭ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট শেল গ্যাস রয়েছে বলে এসারের প্রতিনিধি জানিয়েছেন৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ধারণা পরিবেশগত এবং সামাজিক দিক উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শেল গ্যাস নিষ্কাষণের বিষয়ে৷

একটি পরিবেশ রক্ষাকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে এই শেল ব্লক নিলাম হওয়ার আগে খতিয়ে দেখতে হবে এরফলে ভূগর্ভস্থ জলের ভাণ্ডার ধাক্কা খাচ্ছে কিনা৷ রাজ্য পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মতানুসারে আগেই বলা হয়েছিল ১১,০০০-১৫,০০০ মিলিয়ন লিটার জল লাগবে একটি কূপের জন্য৷ যেহেতু কূপগুলি সমান্তরাল এবং বহুপাক্ষিক ফলে ভূগর্ভস্থ জলের দূষণ এমন হলে জনগণের পক্ষে উদ্বেগের বিষয় হয়ে পড়বে৷