কলকাতা: মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ইডেনের প্রাণবন্ত পিচে বাংলার তরুণ পেস আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশ। তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচে ফলো-অন এড়াতে লড়ছে হনুমা বিহারীরা।

বড় রানের ইঙ্গিত দিয়েও ঘরের মাঠে বাংলা প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়ে যায় ২৮৯ রানে। অথচ একসময় ৪ উইকেটে ২৪১ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের বেশিরভাগ সময় মন্দ আলোয় নষ্ট হওয়ায় ম্যাচ একসময় নিষ্ফলা ড্রয়ের দিকে এগচ্ছিল। তবে ন্যূনতম সুযোগেই ইশান পোড়েলরা যেভাবে অন্ধ্রর ব্যাটিং লাইন আপে হামলা চালায়, তাতে শেষ দিনে চমকপ্রদ কিছু ঘটলেও ঘটতে পারে। অন্তত প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে মূল্যবান পয়েন্ট তোলার সম্ভাবনা প্রবল বাংলার।

দ্বিতীয় দিনে বাংলা অল-আউট হওয়ার পরেই দিনের মতো খেলা স্থগিত গিয়েছিল। তৃতীয় দিনে খেলা হয় সাকুল্যে ৪৬ ওভার। তাতেই অন্ধ্রর ৭ জন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরায় বাংলা। দিনের শেষে স্কোর বোর্ডে মাত্র ১২০ রান তুলতে পেরেছে হনুমা বিহারীরা। ফলো-অন এড়াতে প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রয়োজন ১৪০ রান। অর্থাৎ, বাংলাকে পুনরায় ব্যাট করতে বাধ্য করার জন্য বাকি ৩ উইকেটে অন্তত ৩০ রান তুলতে হবে হনুমাদের। অন্যদিকে, আরও ২৯ রানের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের লেজ ছেঁটে ফেলতে পারলে ইডেনে তাদের ফলো-অন করতে বাধ্য করবে বাংলা। তাহলে শেষ দিনের অনুকূল পরিবেশ কাজে লাগিয়ে সরাসরি জয়ের জন্য ঝাঁপাতে পারে অভিমন্যু ইশ্বরনরা।

অন্ধ্রর হয়ে একা লড়াই চালাচ্ছেন ওপেনার জ্ঞানেশ্বর। তিনি ৪৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাকিরা কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। ক্যাপ্টেন বিহারী ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। উইকেটকিপার কেএস ভরতের অবদান মাত্র ২ রান। খাতা খুলতে পারেনি রিকি ভুই।

ইশান পোড়েল ৩৫ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন। ৩৬ রান খরচ করে ২টি উইকেট তুলেছেন মুকেশ কুমার। ৮ রানে ১ উইকেট আকাশ দীপের। ১৩ রানের বিনিময়ে ১টি উইকেট নিয়েছেন বি অমিত।