কটক: অনুষ্টুপ মজুমদারের দেড়শো রানের পর দিনের শেষ লগ্নে জোড়া উইকেটে স্বস্তিতে বঙ্গবিগ্রেড৷ রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম ইনিংসে বাংলার ৩৩২ রানের জবাবে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের শেষে চার উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান তুলেছে ওডিশা৷ এখনও ১৮১ রানে পিছিয়ে বসন্ত মোহান্তিরা৷

দিনের শেষ ১৪ বলে ওডিশার দু’টি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাকে ম্যাচে ফেরায় বোলাররা৷ ক্রিজে জমে যাওয়া শান্তনু মিশ্র (৬২) ও গোবিন্দ পোদ্দার’কে (১১) ফিরিয়ে দিনের শেষে কিছুটা হলেও স্বস্তি বাংলাশিবিরে৷ তিশোর বেশি রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ওডিশার৷ ব্যক্তিগত ৫ রানে অনুরাগ সারেঙ্গিকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নীলকণ্ঠ দাস৷

ওপেনিং জুটিতে মাত্র ১০ রান যোগ করলেও দ্বিতীয় উইকেটে ১২৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওডিশাকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দেন শান্তনু মিশ্র ও দেবাশিস সামন্ত্র৷ ব্যক্তিগত ৬৮ রানে দেবাশিসকেও ফেরান নীলকণ্ঠ৷ এর পর দিনের অন্তিম লগ্নে শান্তনু ও গোবিন্দকে তুলে নিয়ে বাংলাকে ম্যাচে ফেরান শাহবাজ ও পোড়েল৷ ব্যক্তিগত ৬২ রান কর শাহবাজের শিকার শান্তনু। আর দিলের শেষ বলে ঈশান পোড়েল তুলে নেন গোবিন্দ পোদ্দারকে৷

এদিন ৬ উইকেটে ৩০৮ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলা৷ আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান অনুষ্টুপ ১৩৬ ও শাহবাজ ৮২ রানে খেলা শুরু করেন। কিন্তু গত দিনের রানের সঙ্গে এদিন কোনও রান যোগ করতে পারেননি শাহবাজ। ব্যক্তিগত ৮২ রানেই প্রধানের বল বোল্ড হন শাহবাজ৷ এরপর দ্রুত মুকেশ কুমার ও ঈশান পোড়েলের উইকেট হারায় বাংলা৷ তবে এদিন দেড়শো রানের গণ্ডি টপকাতে সক্ষম হন অনুষ্টুপ৷ ১৫৭ রানে অনুষ্টুপকে ফিরিয়ে বাংলা ইনিংসের সমাপ্তি টানেন মোহান্তি৷ প্রথম দিনের স্কোরের সঙ্গে এদিন মাত্র ২৪ রান যোগ করার পরে অল-আউট হয়ে যায় বাংলা।