কলকাতা: বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৯০০ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের৷ আক্রান্ত আরও প্রায় চার হাজার৷ তবে ফের বেড়েছে সুস্থ্যতার হার৷

রবিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত ৩,৯৮৭ জন৷ শনিবার ছিল ৩,৯৯৩ জন৷ তুলনামূলক ফের সামান্য কমল আক্রান্তের সংখ্যা৷ তবে সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৬৫১ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শনিবারও সংখ্যাটা ছিল ৫৭ জনে৷ সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬,৯০০ জনের৷

যে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৬ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৪ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ জন৷ হাওড়ার ৫ জন৷ হুগলি ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ২ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বাঁকুড়া ২ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ২ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,০৫৩ জন৷ শনিবার ছিল ৪,০৪৯ জন৷ সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ৯৯০ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৮৮.৪৪ শতাংশ৷ শনিবার ছিল ৮৮.৩০ শতাংশ৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও ধীরে ধীরে ফের কমছে৷ ৷ তথ্য অনুযায়ী,৩৬ হাজার ৭৬১ জন৷ শনিবার ছিল ৩৬ হাজার ৮৮৬ জন৷ তুলনামূলক ১২৫ জন কম৷

এই মূহুর্তে বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট ৪৬ লক্ষ ছাড়াল৷ তথ্য অনুযায়ী, ৪৬ লক্ষ ৮৮২ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৫১,১২১ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ৪৫৭ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৪ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৩ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিগুলিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷

বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৪ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৯ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৮১১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I