কলকাতা: একদিকে চলছে পুজোর চুড়ান্ত প্রস্তুতি, অন্যদিকে বাড়ছে সংক্রমণ৷ কমছে সুস্থতার হার৷ উৎসবের পরে কি করোনা ঢেউ আছড়ে পড়বে এই বাংলায়৷ যা অতিমারী ডেকে আনতে পারে৷

চিন্তায় বাংলার মানুষ৷ শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৩,৮৬৫ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,৭৭১ জন৷ প্রতিদিনই প্রায় ১০০ জন করে বাড়ছে৷

এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দু’দিন পর দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা চার হাজার পেরিয়ে যাবে৷ শেষ কোথায় কেউ জানে না৷ এদিকে এই পর্যন্ত বাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যার ফলে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬ হাজার৷

তথ্য অনুযায়ী,৫ হাজার ৯৯২ জন৷ তবে মৃত্যু হার কমে ১.৮৯ শতাংশ৷ যা এক সময় ২ শতাংশের বেশি ছিল৷ এদিকে প্রতিদিনই বাড়ছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা৷ এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,৩৩ হাজার ১২১ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩২ হাজার ৫০০ জন৷ তুলনামূলক ৬২১ জন ৷ যা একদিনে নতুন রের্ডক৷

এক সময় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমতে কমতে ২৩ হাজারে নেমে এসেছিল৷ এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা কম৷ একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,১৮৩ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,১৯৪ জন৷ সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা ২ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৪০ জন৷ সুস্থতার হার কমে ৮৭.৬৬ শতাংশ৷

শুক্রবার ছিল ৮৭.৭৩ শতাংশ৷ একদিনে যে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৫ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷ হাওড়ার ৭ জন৷ হুগলি ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ নদিয়া ৪ জন৷ মালদা ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷

দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ২ জন৷ যদিও বাংলায় একদিনে ৪৩ হাজার ৪২৮ টি নমুনা টেস্ট হয়েছে৷ শুক্রবার ছিল ৪৩ হাজার ৩৮১ টি৷ এই মূহুর্তে মোট টেস্টের সংখ্যা ৩৯ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৫০ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৩,৮৬৪ জন৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৪ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷ এদিন বাংলায় আরও একটি হাসপাতালে কোভিড শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷

এর ফলে বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হল৷

এর মধ্যে সরকারি ৩৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৭৫১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।