কলকাতা: বাংলায় একদিনে ফের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেল৷ বুধবারের হিসেব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে৷ তবে একদিনের হিসেবে মৃতের সংখ্যা কমেছে৷

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৫৮৯ জন৷ গতকাল ছিল ১,৩৯০ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৪,৪২৭ জনে৷ গতকাল সংখ্যাটা ছিল ৩২,৮৩৮ জনে৷

মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের৷ গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৪ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গেল হাজারের ঘরে৷ অর্থাৎ বাংলায় মোট মৃত্যু ১০০০ জন৷ গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৯৮০ জনে৷ কিন্তু অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও ১২ হাজার ছাড়াল৷ অর্থাৎ এই মূহূর্তে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৭৪৭ জন৷ গতকাল ছিল ১১,৯২৭ জনে৷ একদিনে বেড়েছে ৮২০ জন৷

একদিনে ৭৪৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন৷ গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৭১৮ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০,৬৮০ জন৷ শতাংশ এর হিসেবে ৬০.০৬ শতাংশ৷ যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতার ৯ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৬ জন৷ হাওড়া ৩ জন৷ হুগলী ১ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ বাংলায় নতুন করে টেস্ট হয়েছে ১১,৩৮৮টি৷ গতকালের থেকে বেশি৷

গতকাল ছিল ১১,১০২ টি৷ তবেএই পর্যন্ত মোট টেস্ট হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯২৮ জনের৷ প্রতি মিলিয়নে টেস্ট বেড়ে ৭,২২১ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৮০ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৬ টি হাসপাতাল ও ৫৪ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৩৯৫টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

এই পর্যন্ত শুধু কলকাতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫২৫ জন৷ গতকাল ছিল ৫১৬ জনে৷ মোট আক্রান্ত ১০,৯৭৫ জন৷ এর মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় শহরে আক্রান্ত ৪২৫ জন৷ নতুন করে ছাড়া পেয়েছেন ২২৫ জন৷ ফলে কলকাতায় মোট ছাড়া পেলেন ৬১৪৬ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৩০৪ জন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।