কলকাতা: সব রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের বেশি৷ একদিনে আক্রান্তের সংখ্যাটা গতকালের চেয়ে কম৷ বাংলায় সুস্থ হয়ে উঠার হার ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেল৷

সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের৷ এটাই একদিনের হিসেবে সর্বোচ্চ রেকর্ড৷ মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১ হাজার ৭৩১ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ৭১৬ জন৷ গতকাল আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২ হাজার ৭৩৯ জন৷ এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৭৮ হাজার ২৩২ জনে৷

তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৬৮৩ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৫৭৫ জন৷ একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৮৮ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৪ হাজার ৮১৮ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭০.০৭ শতাংশ৷ গতকাল ছিল ৬৯.৮৩ শতাংশ৷ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ২২ হাজার ১১২ টি৷

এটাই একদিনে বাংলায় সর্বোচ্চ টেস্ট৷ গতকাল সংখ্যাটা ছিল হয়েছে ২১ হাজার ৭২টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ৯ লক্ষ ৫৬ হাজার ৬৫৯ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১০,৬৩০ জনে৷ যে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ২১ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ২১ জন৷

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়া ৩ জন৷ হুগলি ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫৭টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৮৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৩৯৫টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

রবিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছিল ৪৯ জনের৷ মোট মৃতের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬৭৮ জনে৷ ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ছিল ২ হাজার ৭৩৯ জন৷ রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ৭৫ হাজার ৫১৬ জনে৷

তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২১ হাজার ১০৮ জন৷ একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ২ হাজার ২১৩ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন ৫২ হাজার ৭৩০ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার ছিল ৬৯.৮৩ শতাংশ৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও