কলকাতা:  বাংলায় একদিনে আক্রান্ত প্রায় চার হাজার৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৫৬ জনের৷ তবে বাড়ছে সুস্থতার হার৷ কমছে মৃত্যু হারও৷ সব মিলিয়ে কিছুটা স্বস্তি রাজ্যে৷

৮ নভেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ৷ যা এক সময় ২ শতাংশের ওপরে ছিল৷ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬,৬২৬ জন৷ সেফ হোমে চিকিৎসাধীন ১,৪১০ জন৷ এবং হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ২৬,৫৩০ জন৷ একদিন আগে ছিল ২৭,০০৪ জন৷ এই সংখ্যাটা প্রতিদিনই কমছে৷

৯ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩,৯০৭ জন৷ রবিবার ছিল ৩,৯২০ জন৷ তুলনামূলক কমল আক্রান্তের সংখ্যা৷ এমনকি আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি৷

তবে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৯ হাজার ২২১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,৩৯৬ জন৷ রবিবার ছিল ৪,৩৮৩ জন৷

তার ফলে বাংলায় এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৬৭ হাজার ৮৫০ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৮৯.৮৯ শতাংশ৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা এদিন আরও কমে ৩৪ হাজারের একটু বেশি৷

তথ্য অনুযায়ী,৩৪ হাজার ২১ জন৷ রবিবার ছিল ৩৪ হাজার ৫৬৬ জন৷ তুলনামূলক ৫৪৫ জন কম৷ গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ রবিবার ছিল ৫৯ জন৷ তবে এই মূহুর্তে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৭,৩৫০ জন৷ এদিন যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৩ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৪ জন৷

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়ার ২ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ৩ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ৩ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মুর্শিদাবাদ ৩ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে ৪৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৭ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৫৫,১০১ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ৩৪৬ টি৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷

আরও ২ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ আরও ৫টি বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর ফলে বর্তমানে ১০১ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷

এর মধ্যে সরকারি ৪৪ টি হাসপাতাল ও ৫৭ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১৩,৫০৮ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।