স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নিজের উপর হামলা সম্পর্কে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, তারাও যদি দু-চারটে ছেলে পাঠাতেন তবে তৃনমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা হাসপাতালে থাকতেন।

উত্তর শহরতলীর লেক টাউনে শুক্রবার সকালে চা-চক্রে দিলীপের উপর হামলা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানেও৷ বর্ধমানে দিলীপ ঘোষের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল।ফেরার পথে একই জায়গায় ফের বিক্ষোভের মুখে দিলীপ ঘোষ। তৃনমূলের দলীয় পতাকা ছাড়াও কালো পতাকা-সহ বিক্ষোভ দেখতে থেকে কর্মীরা। গাড়ির সামনে থেকেও গাড়ি ধরে আটকানোর চেষ্টা করা হয়।পুলিশের উপস্থিতিতেই ঘটে। দিলীপ ঘোষের গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার পর কিছু বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রুখে দাঁড়ান। চলে পালটা স্লোগান। দু’পক্ষই বিপরীত পক্ষের দিকে হুমকি-স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যেতে থাকে। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় পুলিশ তাদের আটকায়। বিজেপি সমর্থকরা কিছু সময়ের জন্য রাস্তায় বসেও পরেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বর্ধমানে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “যাব হাতি চলে বাজার তবে কুত্তা ভুকে হাজার। শুনছি আমার উপর হামলার কথা শুনে অনেক নেতা-মন্ত্রীরা বলছেন, জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তি। সল্টলেকে সুজিত বসুর পাড়ায় স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তি আমিও দেখতে পারি। আমিও সল্টলেকে থাকি। চ্যালেঞ্জ করছি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাবরাতে-বারাসতেও দেখতে পারি। ওরা যদি চায়। শান্তিতে চা খেয়ে পারবো না দেখছি। ‘দিদি’কে ঘিরে স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তি দেখাবো কি?
বিজেপি ভাববে, আগামী দিনে স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তি দেখাবে কিনা। এই রকম রাজনীতি চাইলে আমরা করতে পারি। ২-৪ জন ছেলেকে পাঠাতে পারতাম। ওরা হাসপাতালে যেত। দিলীপ ঘোষ এই রাজনীতিও করতে পারে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় ‘চায়ে পে চর্চা’ – এর মতোই একই ধরণের কার্যক্রম করে জনসংযোগ ধরে রাখতে চাইছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি হিসাবে তিনি অনেক জায়গাতেই চা পানে গিয়েছেন। বিজেপির কথা মানুষকে বলেছেন।

তবে দিলীপ ঘোষের উপর আক্রমণ আগেও হয়েছে। বেশ কয়েকবার তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। দিলীপের বক্তব্য, তাঁর উপর আক্রমণ হলে কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। তাতে তাঁদের মনোবল বাড়ে।