কলকাতা: কয়েকদিন আগেই জিয়াগঞ্জে এক শিক্ষকের পরিবারকে খুনের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয় রাজ্য জুড়ে। সরব হন নেতা-মন্ত্রী সহ বিভি্ন মহল। মঙ্গলবার এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, এদিনই এই বিষয়ে কথা বলতে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবে রাজ্য বিজেপির নেতারা।

এদিন দুপুর ১ টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক খুনের ঘটনা ঘটেছে, এমন দাবি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা তুলে ধরবে বিজেপি।

মৃত আরএসএস কর্মী পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন৷ গত ২০ বছর ধরে মুর্শিদাবাদের গোঁসাইগ্রাম সাহাপাড়া প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন তিনি৷

পুলিশ জানিয়েছে আদতে সাহাপুরের বাসিন্দা হলেও, ছেলের পড়াশোনার জন্য ওই পরিবার পরে মুর্শিদাবাদে চলে আসে৷ কোনও বিবাদের জেরে এই খুন কীনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন কোনও শত্রুতা ওই পরিবারের কারোর সঙ্গে ছিল না৷ তবে খুব নির্মম ভাবে ওই পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

সোমবার রাতভর দফায় দফায় জিয়াগঞ্জ থানায় ডেকে জেরা করা হয় ওই খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজন ব্যক্তিকে। রাতে সিআইডির প্রতিনিধিদল রামপুরহাটের একাধিক জায়গায় হানা দেয়। এদিন নিহত বন্ধুপ্রকাশ পালের স্ত্রী বিউটি পালের বাবাকে রামপুরহাটের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌভিক বণিকের সামনে বসিয়ে জেরা করা হয়। শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল ও সৌভিক বণিকের বিমা সংস্থায় যাঁরা লগ্নি করেছিলেন তাদেরও জেরা করে পুলিশ।

এসবের মধ্যেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল সাগরদিঘির উত্পল বেহরা নামে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা। পেশায় রাজমিস্ত্রি উত্পলকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হলেও পরে তাকে ফের জিয়াগঞ্জ থানবায় ডাকা হয়। আটক করা হয়েছে উত্পল বেহরা নামে ওই রাজমিস্ত্রিকে।