স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ‘বিভ্রান্ত’ করছে বিরোধীরা। এই অভিযোগ তুলে পাল্টা প্রচারে নামছে বঙ্গ বিজেপি।জেলা থেকে বুথ পর্যন্ত প্রচার করা হবে বলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন। কৃষি বিল নিয়ে তুমুল আপত্তি ছিল বিরোধীদের।

তাদের তুমুল হইচইয়ের মধ্যেই রবিবার রাজ্যসভায় পাস হয়েছে কৃষি বিল। এবার সংসদের বাইরে আছড়ে পড়তে চলেছে বিক্ষোভের ঝড়। এরাজ্যে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস প্রত্যেকটি দলই কৃষি বিলের প্রটিবাদে পথে নামছে।

এনিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘‘কৃষি বিল নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে বিরোধীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। এই বিলের ফলে আসলে কী ভাবে কৃষক উপকৃত হবেন, জেলা থেকে বুথ পর্যন্ত প্রচার করে আমরা সেই সত্য তুলে ধরব।’’

কৃষি বিল ও সাংসদদের বহিষ্কারের বিরোধিতা করে আজ মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনে নামছে তৃণমূল। তৃণমূলের মহিলা সংগঠ মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গাঁধী মূর্তির পাদদেশে ধর্না-অবস্থানে বসবে।

পর দিন, বুধবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদ শহরে মিছিল করে মেয়ো রোডেই প্রতিবাদ সভা করবে। সোমবার নবান্নের সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠকে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কৃষি বিলের তীব্র নিন্দা করেন তিনি।

বলেন, “ভুঁইফোড়-জোতদারদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্র। চাষিদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে।” কেন্দ্রকে ‘মজুতদার’, ‘কালোবাজারির সরকার’ বলে কটাক্ষ করে মমতা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, “দেশে এবার খাদ্যের দুর্ভিক্ষ আসতে চলেছে।”

কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি তাঁর প্রশ্ন, “চাষিদের জন্য কী করেছেন? এদিকে, ২৫শে সেপ্টেম্বর দেশ জুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে নামতে চলেছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন।

ওইদিন এ রাজ্যে বিভিন্ন অংশের মানুষ ও সংগঠনকে নিয়ে ২৫ তারিখ ধর্মতলা থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত যে মিছিলের ডাক দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলি, তার সঙ্গে বাম নেতৃত্ব পা মেলাবেন বলে জানিয়েছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু।

এছাড়া কংগ্রেসও জেলা পর্যায় থেকে আন্দোলন শুরু করছে। দেশজুড়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান শুরু করছে তারা। প্রায় ২ কোটি কৃষকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে জনহরলাল নেহরুর জন্মদিন ১৪ নভেম্বর তুলে দেওয়া হবে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাতে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।