স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সোমবার সকাল থেকেই বিজেপির ডাকা কালো দিবসে কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ এবং মিছিল হয়েছে৷ সোমবার বিকালেও শহর এবং লাগোয়া এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে৷ কালো দিবসের মিছিলে হাঁটবেন হুগলির সাংসদ এবং মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়৷ রাজ্য বিজেপির সদর দফতর ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেন থেকে বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যরা হাঁটাবেন যোগাযোগ ভবন পর্যন্ত৷ ইতিমধ্যেই কলকাতার কালাকার স্ট্রিটে ধিক্কার মিছিল করেছে বিজেপি কর্মীরা৷

সন্দেশখালিতে ভোট-পরবর্তি হিংসার ঘটনায় সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৩ জন নিহত হয়েছে৷ স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই তিন ব্যক্তির মধ্যে দুইজন বিজেপির কর্মী এবং একজন তৃণমূল কর্মী৷ যদিও বিজেপি দাবি করেছে, ৫ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে৷ একজন কর্মী এখনও নিখোঁজ৷ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্র বার্তা পাঠিয়েছে রাজ্যকে৷ বার্তায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, লাগাতার হিংসা দেখে মনে হচ্ছে, প্রশাসন আইনের শাসন বজায় রাখতে, মানুষের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি করতে ব্যর্ছ৷ অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্য,চিব মলয় দে’র পালটা জবাবি বার্তা, সমাজবিরোধীরা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটিয়েছে৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে৷

বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় কামারহাটিতে কালো দিবসের মিছিল করবেন৷ একদা তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের কেন্দ্র কামারহাটিতে বেরবে এই মিছিল৷ এছাড়া, দক্ষিণ শহরতলির বেহালায় কালো দিবসের মিছিল বার করবে বিজেপি৷ বেহালার বারিকপাড়া থেকে ডায়মন্ডহারবার রোড হয়ে শিমুলতলা পর্যন্ত এই মিছিল চলবে৷ মিছিল বেরিয়েছে জঙ্গলমহলেও৷ পুরুলিয়ার পুঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতে সোমবার কালো দিবসের মিছিল বের হয়েছে৷

শনিবার রাতে সন্দেশখালীর ঘটনার পর শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি ঘটনার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে৷ নিহত কর্মীদের দেহ কলকাতায় আনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির সঙ্গে জেলা পুলিশ বিবাদ দেখা দেয়৷ বিজেপি পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙেই মৃতদেহ কলকাতায় আনতে চায়৷ কিন্তু জেলা পুলিশ তাদের আটকে দেয়৷ পরে মিনাখাঁ থানার সামনে চিতার কাঠ সাজায় বিজেপি সমর্থকরা৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত থানার সামনে চিতা জ্বাতাতে পারেনি বিজেপি সমর্থকরা৷