রাঁচি: দুই ওপেনার শ্রীবৎস গোস্বামী ও বিবেক সিংয়ের ব্যাটে ভর করে মুস্তাক আলির আঞ্চলিক লিগের প্রথম ম্যাচে ওড়িশাকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছিল বাংলা৷ ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাকে জয়ের পথ দেখালেন ওপেনাররাই৷

আরও পড়ুন: জয় দিয়ে অভিযান শুরু মনোজদের

প্রথম ম্যাচে শ্রীবৎস ৭৯ ও বিবেক সিং ৬৪ রান করেছিলেন৷ ওড়িশার ১৫৭ রান টপকে যেতে বাংলার বাকি ব্যাটসম্যানদের তেমন একটা পরিশ্রম করতে হয়নি৷ ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে লক্ষ্যটা ছিল আরও বড়৷ তবে শ্রীবৎস-বিবেক আরও একবার বাংলার কাজ সহজ করে দেন৷

আরও পড়ুন: ম্যাচ না-খেলেও দলে এমপি’র ছেলে

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঝাড়খণ্ড শুরুটা মন্দ করেনি৷ যদিও বাংলার বোলাররা প্রাথমিক ভুলচুক শুধরে নেওয়ায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ঝাড়খণ্ড আটকে যায় ৯ উইকেটে ১৭৭ রানে৷ না হলে ঘরের মাঠে একসময় দু’শো রানের গণ্ডি ছাপিয়ে যাওয়া নিশ্চিত দেখাচ্ছিল বরুন অ্যারণদের৷

বিরাট সিং ১০ রানে আউট হন৷ ইশান কিষান ফেরেন ৩৫ বলে ৪৯ রান করে৷ ইশাঙ্ক জাগ্গি ৩৯ বলে ৭২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন৷ সৌরভ তিওয়ারি ও কৌশল সিং দু’জনেই ব্যক্তিগত ১১ রানে শ্রীবৎসের ছোঁড়া বলে রানআউট হন৷

আরও পড়ুন: ৪৮ বলে সেঞ্চুরি করে নজর কাড়লেন নায়ার

দিন্দা ও মনোজ দু’টি করে উইকেট নেন৷ একটি করে উইকেট তোলেন কণিষ্ক শেঠ, সায়ন ঘোষ ও বিবেক সিং৷
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার বাংলাকে ১৩০ রানের শক্ত ভিতে বসিয়ে দেন৷ বিবেক সিং ৪০ বলে ৬৩ ও শ্রীবৎস ৪১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন৷ মনোজ সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ৮ রানের মাথায়৷ ১৮ বলে ২৬ রান করে সুদীপ চট্টোপাধ্যায় বাংলাকে জয়ের দোরগোড়ায় পোঁছে দেন৷ ঋত্ত্বিককে (৪) সঙ্গে নিয়ে প্রমোদ চান্ডিলা (৬) ৪ বল বাকি থাকতে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন৷

আরও পড়ুন: অর্জুনের খেলা দেখতে সিডনি যাচ্ছেন সচিন

বাংলা ১৯.২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ম্যাচ পকেটে পোরে এবং পরের রাউন্ডের দিকে এক পা বাড়িয়ে রাখে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।