অভিষেক কোলে: বোলিং সহায়ক পিচে গতির লড়াই। সেই লড়াইয়ের আঁচ স্পষ্ট ধরা পড়ল ক্রিকেটারদের শরীরি ভাষায়। মানোজকে বাউন্সারে বিব্রত করার পর বাসিল থাম্পির প্রত্যয়ী অভিব্যক্তি যদি কেরল শিবিরের প্রতীকী হুঙ্কার হয়, তবে বাংলা অধিনায়কও পিছিয়ে থাকেন কেন। মনোজও কেরলের ব্যাটসম্যানদের দিকে দ্বিতীয় দিনের সকালে শামি-দিন্দাদের সামলানোর প্রচ্ছন্ন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বুঝিয়ে দেন যে লড়াই এখনও বাকি রয়েছে।

এরই মাঝে কথা কাটাকাটিতেও জড়িয়ে পড়েন দু’দলের ক্রিকেটাররা। মন্দ আলোর জন্য আম্পায়াররা দিনের মতো খেলার সমাপ্তি ঘোষণার পর মাঠ ছাড়ার সময় মনোজের সঙ্গে ‘নারদ নারদ’ লেগে যায় প্রথম একাদশে না থাকা কেরলের বিষ্ণু বিনোদের। দুই ফিল্ড আম্পায়ার নিতীন পণ্ডিত ও রবিকান্ত রেড্ডি তৎপর না-হলে ঘটনা অপ্রীতিকর রূপ নিতে পারত।

ম্যাচ অফিসিয়ালরা অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ম্যাচ রেফারি শক্তি সিং দিনের শেষে স্লো ওভাররেটের জন্য কেরল অধিনায়ককে সতর্ক করলেও মনোজ-বিষ্ণুর ঝামেলার বিষয়টিকে পাত্তা দিতে চাইলেন না। বাংলা অধিনায়ক নিজেও দিনের শেষে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করলেন না। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্ট এড়িয়ে যান তিওয়ারি।

আপাতত প্রথম দিনের শেষে কেরলকে চালকের আসনে দেখালেও ইডেনের পিচ যে রকম আচরণ করছে, তাতে হঠাৎ করে চরিত্র না বদলালে ব্যাট-বলের দারুণ লড়াই দেখা যেতে পারে বাকি তিন দিনে। শামি নিজের দ্বিতীয় বলেই অরুণ কার্তিককে ফিরিয়ে দিয়ে পাল্টা লড়াইয়ের যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা থেকে প্রেরণা নিয়ে বাংলা বল হাতে প্রত্যাঘাতের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। বাংলার ১৪৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে কেরল প্রথম দিনের শেষে এক উইকেটে ৩৫ রান তুলেছে।