কলকাতা: কর্নাটককে ২-০ গোলে হারিয়ে সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে উঠল বাংলা৷ বাংলার হয়ে গোল করেন জিতেন মূর্মু ও তীর্থঙ্কর সরকার৷

হাওড়ার শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে ২০১৮ সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা ও কর্নাটক৷খেলার প্রথমার্ধে বারবার বল নিয়ে কর্নাটকের গোলপোস্টের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও কাঙ্ক্ষিত গোল আনতে পারেনি বাংলার ফুটবলাররা৷ অপরদিকে খেলার প্রথমার্ধে বাংলার রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ থাকেন কর্নাটকও৷

ম্যাচের প্রথমার্ধে বেলঘরিয়ার ছেলে তীর্থঙ্কর সরকার বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত সেগুলিকে গোলে পরিবর্তিত করতে পারেননি৷ ২১ মিনিটে কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি জিতেন মূর্মু৷ প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে সুর্বন সুযোগ তৈরি হয় কর্নাটকের জন্য৷ বাংলার কিপার রনজিৎ মজুমদার অনবদ্য ড্রাইভে গোল বাঁচান৷ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় খেলার প্রথমার্ধ৷

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বঙ্গ ব্রিগেড৷ মাঝমাঠে অনবদ্য ফুটবল উপহার দেন বাংলার মোহনবাগানী মিডফিল্ডার তীর্থঙ্কর সরকার৷ তবে বাংলাকে প্রথম গোল এনে দিলেন অধিনায়ক জিতেন মূর্মু৷ ৫৮ মিনিটে অনবদ্য গোল করেন জিতেন৷ এরপর ১-০ ব্যবধান এগিয়ে থেকে খেলার ৯০ মিনিট শেষ করে বাংলা৷ রেফারির তরফে দেওয়া অতিরিক্ত ৫ মিনিটের মধ্যে বাংলার হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন তীর্থঙ্কর সরকার৷ ২-০ গোলে কর্নাটককে হারিয়ে এই মরশুমের সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে ওঠে আগেরবারের চ্যাম্পিয়নরা৷

সন্তোষ ট্রফির অন্য সেমিফাইনালটিতে মিজোরামকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠল কেরল৷ খেলার ৫৫ মিনিটে কেরলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন ভিকে আফডাল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.