লিসবন: ম্যাচটা জিতলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা এফসি পোর্তোর সঙ্গে দু’পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়া যেতো। কিন্তু টোন্ডেলার সঙ্গে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে করোনা পরবর্তী সময় লিগ অভিযানটা বিশেষ সুখের হল না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বেনফিকার। তার উপর ম্যাচ শেষে ফেরার সময় দুষ্কৃতি দৌরাত্ম্যের শিকার হল বেনফিকার টিম বাস। স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে ভিড় করেছিলেন সমর্থকেরা। সমর্থকদের মধ্যে থেকেই টিম বাসে ছোঁড়া পাথরে আহত হলেন দুই বেনফিকা ফুটবলার।

ঘটনায় টিম বাসের জানালার কাঁচ ভেঙে জার্মান মিডফিল্ডার জুলিয়ান ওয়েগল এবং সার্বিয়ার উইঙ্গার আন্দ্রিজা জিভকোভিচ গুরুতর চোট পেয়েছেন বলে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে বেনফিকা ক্লাব কর্তৃপক্ষ। দু’জন ফুটবলারকেই তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় লিসবনের একটি হাসপাতালে। বিবৃতিতে পাথর ছোঁড়ার ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এমন ঘৃণ্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করার কাজে প্রশাসনকে তাঁরা সর্বোতভাবে সাহায্য করবে বলেও জানানো হয়েছে ক্লাবের পক্ষ থেকে।

বৃহস্পতিবার মিনৌস টন্ডেলার বিরুদ্ধে ড্র করে শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বেনফিকা। গোলপার্থক্যে শীর্ষে থাকলেও ২৫ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্টের নিরিখে পোর্তোর সঙ্গে একই মেরুতে অবস্থান করছে তাঁরা। যদিও লকডাউন পরবর্তী সময় লিগের প্রথম ম্যাচে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে পোর্তোকে। ফ্যামালিসাওয়ের কাছে ১-২ গোলে ম্যাচ হারে তাঁরা। এরপরই শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ আসে বেনফিকার সামনে।

লকডাউন পরবর্তী সময় দলের প্রথম ম্যাচ বলে কথা। তার উপর স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় স্টেডিয়ামের গেটের বাইরে প্রিয় ফুটবলারদের অভিবাদন জানাতে জমায়েত হন সভ্য-সমর্থকেরা। কিন্তু এই আনন্দই যে ম্যাচের পর বিষাদের চেহারা নেবে তা আঁচ করতে পারেনি কেউ। লিসবনের একটি মোটরওয়েতে স্টেডিয়াম থেকে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ফেরার পথে টিম বাসে পাথর ছুঁড়ে হামলা চালায় দুষ্কৃতিরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।