মুম্বই: উৎসবের সময় সাধারণত বড় খরচের চাপ থাকে। কারণ এটা নিকট আত্মীয় পরিজনকে উপহার দেওয়ার যেমন সময়, তেমনই আবার বাড়ি সারানো বা গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র কেনার সময় হিসেবে এটাকেই বেছে নেওয়া হয়। এইসব খরচাপাতির মেটাতে অনেক সময় কিছু ঋণ নিতে হয়।

সে ক্ষেত্রে একটু পরিকল্পনা করে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় খরচ মেটানো যায় । তাছাড়া আরও কিছু সুবিধা আছে । এক নজরে দেখে নেওয়া যাক উৎসবের মরশুমে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুবিধা।

১) এই সমস্ত লেনদেন ক্রেডিট কার্ড মাধ্যমে কিনলে তা শোধ করলে আপনি আপনার ক্রেডিট স্কোরের সুবিধা পাবেন। যা পরবর্তীকালে‌ বড় ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে সুবিধা দেবে।

২) এই উৎসবের সময় দেখা যায় বিভিন্ন সংস্থা অফার দেয় ক্রেডিট কার্ড মারফত জিনিস কিনলে রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ছাড়, ক্যাশব্যাক অফার ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩) ক্রেডিট কার্ড পরিকল্পনামফিক ব্যবহার করলে কোন সুদ দিতে হয় না। কারণ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের দিন থেকে কিছু দিন সময় দেওয়া হয় তার মধ্যে পেমেন্ট করে দিলে কোনো সুদ লাগে না। সাধারণত সুদ মুক্ত সময়ের মেয়াদ থাকে ১৮ থেকে ৫৫ দিন।

৪) ক্রেডিট কার্ডের কিছু কেনার পর তা একেবারে ধার শোধ করতে না পারলেও চলে। সে ক্ষেত্রে মাসিক কিস্তি বা ইএমআই মারফত তা শোধ করার সুযোগ থাকে। সেক্ষেত্রে কোন কোন সংস্থার সঙ্গে ক্রেডিট কার্ডের টাইআপ থাকে যাতে ইএমআই তে ধার শোধ করতে গেলে কোন সুদের বোঝা চাপে না।

৫) কার্ড হোল্ডারের সময়মতো পেমেন্ট করার ইতিহাস থাকলে তাদের জন্য প্রি অ্যাপ্রুভ ঋণের সুবিধা পাওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।