দুগ্ধজাত খাবার অনেকেই পছন্দ না করলেও এই বিশেষ পথটি অনেকেই পছন্দ করেন। পনির নামটি শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে।

সাদা ধবধবে পনিরের টুকরোগুলি বাটার মশালা বা পালং শাকের সঙ্গে বেশ ভালোই মানায়। আবার সাধারণভাবে আলু দিয়ে ঝোল রান্না করলেও তা খেতে বেশ চমৎকার লাগে।

তবে শুধু রসনা তৃপ্তিই নয় স্বাস্থ্যের মান বজায় রাখতেও পনিরের জুড়ি মেলা ভার। যারা এটি খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য একটি সুখবর।

তারা আজীবন কয়েকটি রোগ থেকে থাকবেন দূরে। অনেকেই রয়েছেন দুধ খেতে পারেন না অথবা তাদের দুধ খাওয়া মানা।

তাই তারা দুধের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হন তবে তারা পনির খেলে সেই পুষ্টিগুণ পেতে পারেন।

আরো পোস্ট- দীর্ঘকালীন সুস্থতায় ডায়েট নয়, জীবনধারার মানই আসল

ডায়াবেটিস (diabetes) মোকাবিলায় সাহায্য করে পনির। দু’টুকরো করে পনির রোজ পাতে রাখলে ডায়াবেটিস রোগী সহজে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

ইনসুলিন হরমোনের উৎপাদন এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে পনির।

এছাড়াও রক্তে কোলেস্টেরলের (cholesterol) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে পনির। এই পদটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে তাই এটি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখে।

যারা মাছ মাংস খান না তারা নিরামিষ এর মধ্যে এই পদটিকে অবশ্যই নিয়ম করে নিজেদের ডায়েটে রাখবেন। গর্ভবতী মহিলারা এই সময়ে পনির খাওয়ার উপর জোর দেবেন।

মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে পনির। এছাড়াও আমাদের হজমশক্তি (digestion) স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

পনির প্রতিদিন পাতে থাকলে গ্যাস বা অম্বল এর মত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নিয়মিত পনির খেলে ত্বকের জেল্লা (skin glow) বজায় থাকে। এর মধ্যে সেলেনিয়াম, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (anti oxidant) রয়েছে যেগুলো রেডিকেলের সঙ্গে লড়াই করতে পারে।

পনিরে রয়েছে ক্যাসেইন নামক এক প্রোটিন যা আমাদের ওজন কমাতে এবং নিয়ন্ত্রণে (weight loss) রাখতে সাহায্য করে। যারা স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন, তারা এই পদটিকে নিয়মিত তাদের ডায়েটে রাখেন।

এ প্রোটিনটি অনেকক্ষণ ধরে পেট ভরা রাখতে পারে। তাই আজ থেকেই শুরু করুন পনির খাওয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.