ত্বকের কালচে দাগ৷ ছোপ, রুক্ষতা, ব্রুণ দূর করতে আপনাকে বহু দামি ক্রিম কিনে ব্যবহার করেন৷ খরচা করে কেনার পর মাঝে মধ্যে সেই ক্রিম আপনার ত্বকে স্যুটো করে না৷ স্যুট করলেও পুরোপুরি দাগ যায় না, তেমন আশানুরূপ ফল আপনি পান না৷ তাই বাড়িতে তৈরি প্যাক কিংবা আয়ুর্বেদিক প্রক্রিয়াতেই চেষ্টা করুন ত্বকের সমস্যা মেটাতে৷ কারণ প্রাকৃতিক উপায় একমাত্র মানুষ সুস্থ থাকতে পারে৷ আর এতে কোনও সাইড এফেক্টসো নেই৷

বাড়িতে তুলসি পাতা বা নিম পাতা সকলের বাড়িতেই থাকে৷ দুটি ত্বকের পক্ষে খুব ভালো৷ তবে এর সঠিক ব্যবহারের প্রক্রিয়া না জানলে স্কিনে লাগিয়েও কোনও উপকারল পাবেন না আপনি৷ কালো দাগ, রুক্ষতা, ছোপ সবটা দূর করতে সাহায্য করে নিম এবং তুলসি৷ অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল হিসেবে কাজ করে তুলসি এবং জীবাণু নাশ করতে উপকারি নিম৷ দুটি ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং দাগ-ছোপ কমাতে সাহায্য করে৷ যতই নিম এবং তুলসিস দিয়ে তৈরি ফেস মাস্ক বা ফেস ওয়াশ তৈরি হোক না কেন, সেই সমস্ত প্রোডাক্টে বেশ খানিকটা কেমিকাল থাকে৷

কয়েকটি তুলিপাতা এবং নিমপাতা আলাদা করে ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে নিনি৷ রোদে শুকোতে দিন৷ খেয়াল রাখবেন কখন পাতাগুলির রঙ হালকা বাদামি রঙের হয়ে আসছে৷ বাদামি রঙটা এলেই পাতাগুলি তুলে নিয়ে ব্লেন্ডারের সাহায্যে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন৷

আরও পড়ুন:  কম্পিউটারের সামনে বসে চোখের সমস্যা নিরাময়ের উপায় জেনে নিন

অন্য একটি পাত্রে দুই চামচ করে তুলসি এবং নিমপাতার গুঁড়ো নিয়ে তার মধ্যে এক চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে নিন৷ তিনটি গুঁড়ো যেন ভালোভাবে মিশে যায়৷

এরপর সেই পাত্রে একটু একটু করে গোলাপজল মেশাতে থাকুন৷ অল্প পরিমাণ করে মেশাতে থাকবেন৷ প্রথমেই বেশি দিয়ে দেবেন৷ মাথায় রাখবেন পেস্টটা যেন ঘন হয়৷ আঙুল দিয়ে বা সরু কোনও চামচ দিয়ে পেস্টটি মিশিয়ে নিন ভালো করে৷

আরও পড়ুন: এই পদ্ধতিতেই খসে পড়বে আঁচিল

আপনার প্যাকটি ঘন হয়ে গেলে একটা পাতলা কাপড় দিয়ে পাত্রটা ঢেকে রাখুন৷ আপনার ত্বকে যে ধরণের ক্লেনজার স্যুট করে, সেটা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন৷

মুখে, ঘাড়ে, গলায় এবং গলার ঠিক নীচ অবধি প্যাকটি ভালো করে লাগিয়ে নিন৷ ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে অপেক্ষা করুন৷

প্যাকটি শুকনো অবধি অপেক্ষা করে হাতে জল লাগিয়ে মুখে, গলায়, ঘাড়ে মাসাজ করতে থাকুন৷ কিছুক্ষণ করার পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ তারপর লাইট কোনও ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন৷ সপ্তাহে এক-দুবার করলেই আপনি ফল পাবেন৷