আমদাবাদ: ভারত-ইংল্যান্ড চতুর্থ তথা অন্তিম টেস্টের প্রথমদিন মোতেরায় লেগে গেল বিরাট এবং বেন স্টোকসের। বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেন দুই দেশের তারকা ক্রিকেটার। পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করতে হল অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিতিন মেননকে। সবমিলিয়ে কোহলি-স্টোকস উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে সরগরম হল চতুর্থ টেস্ট।

ঘটনার সূত্রপাত দিনের প্রথম সেশনে বেন স্টোকসকে উদ্দেশ্যে ভারতীয় পেসার মহম্মদ সিরাজের করা একটি বাউন্সারকে কেন্দ্র করে। দিনের খেলা শেষে বিষয়টি সম্পর্কে জানান মহম্মদ সিরাজ নিজেই। হায়দরাবাদি পেসারের কথায়, স্টোকসের সঙ্গে কোহলির এই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের কারণ তাঁর একটি বাউন্সার। দিনের প্রথম সেশনে ইংরেজ অধিনায়ক জো রুট মাত্র ৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যাওয়ার পরেই সিরাজ একটি দুরন্ত বাউন্সারে ক্রিজে স্বাগত জানান ইংরেজ অল-রাউন্ডারকে। এরপর কয়েক মুহূর্ত স্টোকসের দিকে চেয়ে থাকেন ভারতীয় পেসার।

পালটা সিরাজকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলেন স্টোকস তবে সিরাজ তা গায়ে মাখেননি। এরপরেই তরুণ পেসারের হয়ে কথা বলতে আসরে হাজির হন ভারত অধিনায়ক এবং স্টোকসের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি চলে কোহলির। নজরে আসতেই ঘটনাটিকে আর বাড়তে দেননি অল-ফিল্ড আম্পায়ার নিতিন মেনন। কিন্তু সিরাজকে কী বলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বজয়ের নায়ক। ঘটনা প্রসঙ্গে ম্যাচ শেষে হায়দরাবাদি পেসার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া হোক কিংবা ভারত। আমি যেখানেই বল করি না কেন আমি ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি। বেন স্টোকস এদিন আমায় কটুক্তি করেছিল আর সেটা আমি বিরাট ভাইকে জানিয়েছিলাম। এরপর বিরাট ভাই গোটা ঘটনাটি সামাল দেয়।’

দিনের শেষে চতুর্থ টেস্টের পিচকে ব্যাটিং সহায়ক বলেও দাবি করেন সিরাজ। মোতেরায় তৃতীয় টেস্টের উইকেটের সমালোচনা করা প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক মাইকেল ভনও সন্তুষ্ট চতুর্থ টেস্টের উইকেট নিয়ে। তবে গত দু’টি টেস্টের মত ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতা জারি রইল চতুর্থ টেস্টেও। মোতেরায় চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানেই গুটিয়ে গেল ব্রিটিশরা। ফের একবার বল হাতে উজ্জ্বল ভারতের স্পিন জুটি অক্ষর প্যাটেল এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে বল হাতে সফল হয়েছেন সিরাজও। ইংরেজ অধিনায়ক জো রুটকে মাত্র ৫ রানে ফেরান ভারতীয় পেসার। জনি বেয়ারস্টোর উইকেটটিও সিরাজের সংগ্রহে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।