হাওড়া: আবার বন্ধ হচ্ছে বেলুড় মঠের মূল ফটক। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় পরিস্থিতি এখন বেসামাল। আগামী ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে পুনরায় বেলুড় মঠে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে। পুনরায় নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে মঠের মূল গেট।

মঙ্গলবার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের তরফ থেকে একথা জানা গিয়েছে। গত বছর দেশ জুড়ে লকডাউনের জেরে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর ১৫ জুন আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। করোনা বিধি মেনে গেটে ভক্ত দর্শনার্থীদের প্রবেশ করানো হতো। মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দূরত্ব মানা থেকে হাত স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। গতবছর ২ আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক সন্ন্যাসীদের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারিতে ফের কোভিড বিধি মেনে খোলা হয় মঠের দরজা। পরবর্তী পরিস্থিতিতে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ফের বন্ধ হতে চলেছে বেলুড় মঠ।

দেশজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগামী ৩ সপ্তাহ খুবই ‘কঠিন সময়’। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আগাম পরিকল্পনা করে রাখতে পরামর্শ কেন্দ্রীয় সরকারের। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কন্টেনমেন্ট জোন, করোনা মোকাবিলায় অন্যান্য পরিকল্পনা স্থির করে রাখতে বলেছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে আরটি-পিসিআর RT-PCR টেস্ট করানোর উপরে জোর দিতে বলেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

গত বছরও করোনা মহামারীর শুরুতে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় বিপাকে পড়েছিলেন অসংখ্য দিন আনা দিন খাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকেরা। সেই সময় তাঁদের জন্য বিশেষ ট্রেন বাসের ব্যবস্থা করা হলেও পাস যোগার করতে না পারায় বহু শ্রমিককে পায়ে হেঁটে বা রেললাইন ধরে ঘরের উদ্দেশ্যে রওনা হতে হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.