কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় এবার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন। এবারও করোনা মোকাবেলায় আর্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তারা। বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের উদ্যোগে গত কয়েকদিন ধরেই মানুষের হাতে চাল, ডাল, নুন, পেঁয়াজ, সাবান-সহ নিজস্ব গবেষণাগারে তৈরি স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় দেড় হাজার মানুষের হাতে তুলে তা দেওয়া হয়েছে।

আগামীদিনও এই সহযোগিতা জারি থাকবে বলে মঠ সূত্রের খবর। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সমস্ত শাখাকেন্দ্রকে এই ত্রাণ কাজে সামিল হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, চেন্নাই, তামিলনাড়ু, দিল্লি সহ ভিন রাজ্যের সব শাখাকেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই ওই ত্রাণকাজ চালু হয়েছে।

স্যানিটাইজ়ার, মাস্কের পাশাপাশি দরিদ্রদের চাল, ডাল, আলু দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার দেওয়া হচ্ছে তৈরি করা খিঁচুড়ি। মঠ সূত্রে জানা গেছে, দেশ জুড়ে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও ত্রাণ কাজ যতটা সম্ভব করা হচ্ছে। লকডাউন উঠে গেলে পুরোমাত্রায় করোনা-ত্রাণ কাজ শুরু করা হবে। এরাজ্যে থাকা রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন কলেজে বানানো হচ্ছে স্যানিটাইজ়ার। সেই স্যানিটাইজ়ারের বোতল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। তা ছাড়াও বিলি করা হচ্ছে কাপড়ের তৈরি মাস্ক। এছাড়াও ঝাড়্গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের তরফ থেকেও ত্রাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রত্যেককে মাথাপিছু ৩ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, গুঁড়ো দুধের প্যাকেট, বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে।

সঙ্ঘের সমস্ত শাখাকেন্দ্রকে ত্রাণ কাজে সামিল হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, চেন্নাই, তামিলনাড়ু, দিল্লি-সহ ভিন রাজ্যের সব শাখাকেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই ওই ত্রাণকাজ চালু হয়েছে। সেখানেও স্যানিটাইজ়ার, মাস্কের পাশাপাশি দরিদ্রদের চাল, ডাল, আলু দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার দেওয়া হচ্ছে তৈরি করা খিঁচুড়ি।

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জানান, দেশ জুড়ে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও ত্রাণ কাজ যতটা সম্ভব করা হচ্ছে। লকডাউন উঠে গেলে পুরোমাত্রায় করোনা-ত্রাণ কাজ শুরু করা হবে। এরাজ্যে থাকা রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন কলেজে বানানো হচ্ছে স্যানিটাইজ়ার। সেই স্যানিটাইজ়ারের বোতল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। তা ছাড়াও বিলি করা হচ্ছে কাপড়ের তৈরি মাস্ক।

বেলুড় সারদাপীঠের সম্পাদক স্বামী দিব্যানন্দ জানান, সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশমতো ত্রাণকাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও ঝাড়্গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের তরফ থেকেও ত্রাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রত্যেককে মাথাপিছু ৩ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, গুঁড়ো দুধের প্যাকেট, বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ২০০ জনকে দেওয়া হচ্ছে এই খাদ্যসামগ্রী।