হাওড়া: রবিবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষে বেলুড় মঠ দর্শনের জন্য ভক্ত দর্শনার্থীরা অতিরিক্ত সময় পেলেন। মঠ সূত্রে এক নির্দেশিকায় একথা জানানো হয়।

সকালে ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত আজ বেলুড় মঠ দর্শন করার ব্যবস্থা করা হয়। অর্থাৎ ভক্তদের জন্য ছিল অতিরিক্ত ১ ঘন্টা সময়। তবে পূর্ব নির্দেশিকা মোতাবেক এদিনও প্রেসিডেন্ট মহারাজের দর্শন বা প্রণাম বন্ধ ছিল।

পাশাপাশি, সোমবার থেকে ফের পূর্বের নির্দেশিকা মতোই সকাল ৯টা থেকে ১১টা ও বিকেলে ৪টা থেকে ৬টা, দুই ঘন্টা করে খোলা থাকবে বেলুড় মঠ।

উল্লেখ্য, করোনার জেরে টানা ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর জুনের তৃতীয় সপ্তাহে খুলেছে বেলুড়মঠ। করোনার সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক নিয়ম চালু করেছে মঠ কর্তৃপক্ষ। মূল প্রবেশদ্বারে প্রত্যেকের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। তার আগে প্রবেশদ্বারের বাইরে প্রত্যেক দর্শনার্থীকে ছাউনির নিচে কিছুটা বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। তারপর থার্মাল স্কিনিং করে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করানো হচ্ছে।

প্রত্যেককেই মাস্ক পরে মঠে আসতে হচ্ছে। সেইসঙ্গে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে মঠে প্রবেশ করতে হচ্ছে। নির্দিষ্ট দূরত্ববিধি মেনে মঠে প্রবেশ করানোর পর একসঙ্গে সর্বাধিক ১০ জনকে রামকৃষ্ণদেবের মূল মন্দিরে যেতে দেওয়া হচ্ছে।

বেলুড় মঠের অধ্যক্ষ মহারাজের দর্শন ও প্রণাম এবং অন্যান্য মহারাজ ও সাধুদের প্রণামও এখন বন্ধ থাকছে। সেইসঙ্গে বেলুড় মঠে দীক্ষা দানও এখন বন্ধ থাকছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.