মেলবোর্ন: শুরুতেই ইন্দ্রপতন৷ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রথম দিনেই তিনটি অঘটনের সাক্ষি থাকল মেলবোর্ন পার্ক৷ কাকতলীয়ভাবে তিনটি ক্ষেত্রই অঘটনের শিকার হলেন মার্কিন তারকারা৷

আরও পড়ুন: ফেডেরারের ডাবলস পার্টনার যখন স্পাইডারম্যান

রড লেভার এরিনায় প্রথম রাউন্ডই থেকই ছিটকে গেলেন অন্যতম ফেভারিট ভেনাস উইলিয়ামস৷ মার্গারেট কোর্ট এরিনায় দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হলেন যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ী স্লোয়ান স্টিফেন্স৷ হিসেন্স এরিনায় প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিলেন মেয়েদের দশম বাছাই কোকো ভ্যান্দেওয়েঘে৷

গতবারের রানার্স তথা টুর্নামেন্টের পঞ্চম বাছাই ভেনাসকে স্ট্রেট সেটে পরাজিত করেন ফেডেরারের দেশের বেলিন্দা বেনচিচ৷ ২০ বছর বয়সী সুইস তারকা এই মুহূর্তে ডব্লিউটিএ ব়্যাংকিংয়ের ৭৪ নম্বরে রয়েছেন৷ সেখানে সাতবারের মেজরজয়ী ভেনাসের বিশ্বব়্যাংকিং ৫৷ স্বভাবিকভাবেই ম্যাচের আগে এগিয়ে ছিলেন উইলিয়ামসই৷ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবিদার ছিলেন তিনি৷ যদিও প্রথম রাউন্ডেই তাঁকে হার মানতে হয় ৩-৬, ৫-৭ সেটে৷

আরও পড়ুন: শ্রীবৎস-বিবেকের ব্যাটে জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলার

১৯৯৭ সালের পর এই প্রথমবার মরশুমের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের দ্বিতীয় রাউন্ডে নেই উইলিয়ামস বোনেরা৷ গতবারের চ্যাম্পিয়ন সেরেনা এবার টুর্নামেন্ট থেকে নাম তুলে নিয়েছেন৷ ভেনাস হারলেন প্রথম রাউন্ডেই৷ সুতরাং শেষবার যখন এমন ছবি দেখা গিয়েছিল মেলবোর্ন পার্কে, তখন বেলিন্দা বেনচিচ মাতৃগর্ভে ছিলেন৷

এই নিয়ে চারবারের প্রচেষ্টায় ভেনাসের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিতে সক্ষম হন বেনচিচ৷ গতবছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডে সেরেনার কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে বিদায় নিয়েছিলেন বেনচিচ৷

আরও পড়ুন: কোহলিকে দলের বাইরে দেখতে চান বীরু

অন্যদিকে, গতবছর যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ী মার্কিন তারকা স্লোয়ান স্টিফেন্সকে ৬-২, ৬-৭ (২-৭), ২-৬ সেটে হারিয়ে দেন চিনের শুয়াই ঝ্যাং৷ ১৩ তম বাছাই স্লোয়ানের থেকে সিঙ্গলস ব়্যাংকিংয়ে বেশ খানিকটা পিছিয়ে ছিলেন ঝ্যাং৷ স্টিফন্স যেখানে বিশ্বের ১৩ নম্বর তারকার মর্যাদা পাচ্ছেন, সেখানে চিনা তারকার ব়্যাংকিং ৩৬৷

গতবারের সেমিফাইনালিস্ট তথা এবার দশম বাছাইয়ের মর্যাদা পাওয়া আর এক মার্কিন তারকা কোকো ভ্যান্দেওয়েঘে প্রথম রাউন্ডেই হেরে বসলেন হাঙ্গেরির টিমেয়া বাবোসের কাছে৷ ম্যাচের ফল টিমেয়ার অনুকূলে ৭-৬ (৭-৪), ৬-২৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।