বেজিং:  ফের আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের রাস্তায় হাঁটছে চিন! হুমকি-নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে চিনের তৈরি দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ‘শানদং’কে দক্ষিণ চিন সাগরের কাছে মোতায়েন করতে চলেছে লালচিন। স্থানীয় চিনা সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। যেখানে বলা হয়, দেশের অত্যাধুনিক বিমানবাহী রণতরীকে বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরেই মোতায়েন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে যখন আমেরিকা এবং আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বেজিংয়ের টানাপড়েন বাড়ছে তখন এই সংবাদ প্রকাশ্যে এলো। আর এই ঘটনা ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

অন্যদিকে রণতরী এভাবে মোতায়েনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে খবরে বলা হয়েছে, জটিল কোনও পরিস্থিতি দেখা দিলে এতে তা মোকাবেলায় চিনের সামরিক সক্ষমতা এবং প্রস্তুতি বাড়বে। এছাড়া দক্ষিণ চিন সাগরের কাছাকাছি মোতায়েনের মাধ্যমে তাইওয়ানকে পরোক্ষভাবে সতর্ক করা হবে। উল্লেখ্য, তাইওয়ানকে বেজিং চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে করে।

চিনের প্রথম বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং ১৯৯৮ সালে ইউক্রেন থেকে কেনা হয়েছিল। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি নজর রাখার জন্য একে উত্তরাঞ্চলীয় চিনের কিনদাওয়ে মোতায়েন রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পুরোপুরি চিনে তৈরি হচ্ছে। চিনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নামে এর নাম শানদং রাখা হয়েছে। অবশ্য প্রয়োজন মনে করলে এই এয়ারক্রাফটের নাম পরিবর্তন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে সেনার তরফে।