স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শুক্রবার বাংলার প্রথম দুই দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের। কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে দেওয়া হল৷ দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর সভার পরেই প্রকাশ করা হবে বিজেপির প্রার্থী তালিকা। রাজনৈতিক মহল মনে করছে বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা পিছিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে৷

বিজেপির দাবি, ব্রিগেডের আয়োজনে এখন চরম ব্যস্ত দলের নেতারা জেলার নেতারা। এই অবস্থায় দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হলে তারা মনোনয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। ফলে সমস্যা হতে পারে ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতিতে। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হলেই জেলায় জেলায় ব্যাপক বিক্ষোভের সম্ভাবনা রয়েছে। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নিজেই বলেছেন, কেন্দ্র পিছু চারটে পাঁচটি নাম দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সেখান থেকে বেছে নেবেন৷ সেক্ষেত্রে নাম ঘোষণার পর বড়সড় গণ্ডগোলের আশঙ্কা করছে তারা৷ এরমধ্য  তৃণমূল থেকে যারা টিকিটের আশায় বিজেপিতে গিয়েছিলেন প্রার্থী হতে না পারলে তারাও  বিক্ষোভ দেখাতে পারেন৷ আবার তাদের টিকিট দিলে বিক্ষোভ দেখাতে পারেন আদি বিজেপি সমর্থকরা। এমনকী অনেকে রাতারাতি তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন। সেই ডামাডোল মেটাতে ময়দানে নামতে হবে বিজেপি নেতৃত্বকে। তাছাড়া গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে কমতে পারে ব্রিগেডে হাজিরা।

এছাড়াও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার জন্যই অপেক্ষা করছিল বিজেপি নেতৃত্ব। তারা ভাবছেন, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে তারা যোগাযোগ করতে পারেন বিজেপি সঙ্গে। তাই তাদের কিছু সময় দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির অন্দরের খবর, তৃণমূলে যাঁরা টিকিট পাননি তাঁদের জন্য দরজা খুলে রাখছে বিজেপি৷

উল্লেখ্য, আগামী ৯ মার্চ মঙ্গলবার প্রথম দফার মনোনয়নের শেষ দিন। তার আগে রবিবার বিকেলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ২ দফার প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বিজেপি। এমনই খবর দলীয় সূত্রে।

শুক্রবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যাঁদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  কথায়,  ‘ইয়ং ফেস’। এদিকে, বয়স ও শীরিরিক অসুবিধার কারণে এবার ভোটে টিকিট দেওয়া হয়নি মমতার দু’টি মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে। বাদ গিয়েছেন মমতার সতীর্থ পুর্ণেন্দু বসুও। রাজারহাট-গোপালপুরে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন তিনি। এবার তাঁর জায়গায় প্রার্থী সদ্য দলে যোগ দেওয়া সঙ্গীতশিল্পী অদিতি মুন্সি।

এছাড়া স্মিতা বক্সিকে কিছু কারণে টিকিট দেওয়া যায়নি। জটু লাহিড়ি, অমল আচার্যকেও টিকিট পাননি। তালিকায় নাম নেই সিঙ্গুরে ‘মাস্টারমশাই’ রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যেরও। খাদ্যপ্রক্রিয়া করণ এবংউদ্যানপালন দফতরের মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লাকেও এ বার ভাঙড়ে টিকিট দেওয়া হয়নি। একদা বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য রেজ্জাককেও বয়সের কারণেই ‘অব্যাহতি’ দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। এদের বিধান পরিষদে স্থান দেওয়া হবে আশ্বাস দিয়েছেন মমতা। এছাড়াও তৃণমূলের তালিকা থেকে বাদ পড়া হেভিওয়েট রাজনৈতিক মুখগুলোর মধ্যে অন্যতম সোনালী গুহ। বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন সোনালীই ছিলেন মমতার ছায়া সঙ্গী। টিকিট পাননি আরাবুল ইসলামও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।