দার্জিলিং: পুজোর মুখে খুশির হাওয়া উত্তরের চাবাগানে৷ পুজোর আনন্দ দ্বিগুণ করে তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগানের শ্রমিকদের ১৯.৭৫ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার ঘোষণা করল বাগান কর্তৃপক্ষ৷ সোমবারের এই ঘোষণায় উপকৃত হবেন ১৬৭টি বাগানের শ্রমিকরা৷ একই সঙ্গে, দু’মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল কালচিনি ও রায়মাটাং চা বাগান৷ কাজ ফিরে পেলেন সাড়ে তিন হাজার শ্রমিক৷

আজ, সোমবার সকালে দু’টি বাগানই খুলে যায়৷ যদিও কালচিনি বাগানে বকেয়া ও বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে শ্রমিকরা৷ তাঁদের বোঝানো হয়, বাগানে ম্যানেজার আসছে৷ বিকেলে বকেয়ার অনেকটায় মিটিয়ে দেওয়া হবে৷ শ্রমিক মালিক বিরোধের জেরে কালচিনি ও রায়মাটাং চা বাগান দুটি বন্ধ হয়ে যায়৷ বাগান খুলতে রাজ্যের শ্রম দফতরের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ শিলিগুড়িতে যুগ্ম শ্রম কমিশনারের দফতরে বৈঠক হয়৷ তার পরই বাগান খুলতে সমাধান সূত্র বের হয়৷

এদিকে, তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগানের জন্য এবার ১৯.৭৫ শতাংশ হারে পুজোর বোনাস ঘোষণা করে বাগান কর্তৃপক্ষ৷ গত বার ২০ শতাংশ হারে বোনাস হয়েছিল৷ রবিবার বোনাস বৈঠকে ১৬৭ টি বাগান কর্তৃপক্ষ অংশ নেয়৷ যে সব বাগান বৈঠকে অংশ নেয়নি তারা নিজেদের মতো করে শ্রমিকদের সঙ্গে বোনাস নিয়ে সমঝোতা করবে৷ তবে ৪৬টি চা বাগানকে বোনাসের ক্ষেত্রে খানিকটা ছাড় দেওয়া হয়েছে৷ ওই বাগানগুলি রুগ্ন৷ ফলে তারা ১৯.৭৫ শতাংশ হারে বোনাস দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে৷ তাদের ১০ থেকে ১৯ শতাংশের মধ্যে বোনাস দিতে বলা হয়েছে৷ গত বছর তরাই ডুয়ার্সে বোনাসের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া চা বাগানের সংখ্যা ছিল ৪২টি৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ