কলকাতা :  অনেকেরই মাঝে মাঝে মনে হয় চিরটাকালই কি অন্যের বাড়িতে থাকতে হবে । নিজের একটা বাড়ি বলে কিছু হবে না।সেক্ষেত্রে ভাড়া থাকলে তো কথাই নেই কিন্তু সেটা যদি নিজের ফ্ল্যাট বাড়িও হয় তাহলেও মাথার মধ্যে অনেকেরই ঘুরপাক খায় একটা নিজের মনের মতো বাড়ি দরকার।

আসলে অনেকের কাছেই ফ্ল্যাট মানে তো বড়লোকেদের বস্তি- একফালি জমিতে বহু লোকের বাস ৷ তাই এখনও অনেক মানুষই আছেন যাদের ফ্ল্যাটে থেকে মন ভরে না৷ তাঁরা চান এক টুকরো জমিতে মনের মতো একটা নিজস্ব বাড়ি গড়তে ৷ তবে শুধু তো জমি থাকলেই হবে না, মনে রাখবেন ফ্ল্যাট কেনার চেয়ে বাড়ি তৈরির ঝক্কি বেশি ৷ তাই ফ্ল্যাটের বদলে এমন স্বপ্নের নীড় গড়ার আগে কতগুলো কথা অবশ্যই মাথায় রেখেই এগোতে হবে৷ দেখবেন বাড়ি করার পর পদে পদে আক্ষেপ করতে যেন না হয়৷ সেক্ষেত্রে স্থপতিকে দিয়ে বাড়ি করানোর আগে মাথায় রাখতে হবে বেশ কয়েকটি বিষয়৷

প্রথমত নিজের কাছে পরিস্কার হতে হবে ফ্ল্যাটের বদলে আপনার বাড়ি কেনার প্রয়োজন হচ্ছে কেন?

দ্বিতীয়ত ভেবে নিয়ে পরিকল্পনা করুন- বাড়িটা নিজের থাকার জন্য না ভাড়া দেওয়ার জন্য করছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তবেই পরিকল্পনা করা উচিত৷

তৃতীয়ত, তবে এমন বাড়ি গড়া যেতেই পারে যেটাতে থাকা ও ভাড়া একইসঙ্গে উভয় কাজেও লাগানো যেতে পারে৷
তবে সেক্ষেত্রে আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবেন কতটা জায়গায় নিজে থাকবেন আর কতটা অংশ ভাড়া দেবেন৷

চতুর্থত, বাড়ি করার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মাথায় রাখতে হবে পরিবারে সদস্য সংখ্যা বাড়তে অথবা কমতে পারে৷সেই অনুসারে এবার স্থপতিকে বিস্তারিত ভাবে জানাতে হবে ঠিক কেমন ধরনের বাড়ি আপনি চাইছেন৷

পঞ্চমত, এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আপনার মাথায় বাড়ির যে নকশাটি রয়েছে সেটা লিখে দিন, যাতে স্বপ্নের বাড়ি গড়তে সুবিধা হয়৷ এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে একটা ত্রিমাত্রিক সিম্যুলেশন করে দেখে নিতে পারেন৷

ষষ্ঠত, এই বিষয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দেখে নিন নিজের জমানো টাকা দিয়ে বাড়ি কিনবেন নাকি ব্যাংক ঋণ নিয়ে তা করবেন। এখন অনেকেই ব্যাংক ঋণ নিতে চান বিশেষত কর ছাড়ের সুবিধার জন্য।

সপ্তমত, ঋণ নিয়ে অথবা না নিয়ে যাতেই করুন না কেন বাড়ি করার আগে তা গড়ার জন্য কত বাজেট রাখবেন সেটা দেখে বুঝে নিন। কারণ আপনার ক্ষমতা অনুসারে এই বাজেট করবেন। তবে বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে কাঁচা মালের গুণগত মানের বিষয়ে  কোনও রকম সমঝোতা করা উচিত হবে না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।