বেঙ্গালুরু : ভারত যুদ্ধ চায় না। কিন্তু দেশের সুরক্ষার সঙ্গে কোনও মূল্যে আপোষ নয়। কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে বৃহস্পতিবার এই ভাষাতেই কড়া জবাব দিলেন প্রতিরক্ষা্মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন রাজনাথ বলেন বিশ্বের যে কোনও সুপার পাওয়ারকেই যোগ্য জবাব দিতে সবসময় প্রস্তুত ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা দিলেন রাজনাথ। আট মাস ধরে লাদাখ সহ চিন সীমান্তে উত্তাপ জারি রয়েছে।

এদিন রাজনাথ বলেন যুদ্ধ না চাইলেও, ভারত নিজের সীমান্ত রক্ষার জন্য যে কোন পদক্ষেপ নিতে তৈরি। তাই যদি কোনও সুপারপাওয়ারও প্রতিপক্ষ হয়, তবু পিছু হঠার প্রশ্ন নেই। সেই সুপার পাওয়ারদের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে দেশের সেনারা। রাজনাথের দাবি ভারতের বিবেক উদার। সব ধর্মের মানুষ এখানে সৌভাতৃত্ববোধে আবদ্ধ। দেশের প্রতিবেশিদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বিশ্বাসী ভারত। কিন্তু কোনও প্রতিবেশী যদি খারাপ ব্যবহার করে, তবে তার যোগ্য জবাব দিতে তৈরি ভারত।

এদিকে, কমান্ডারদের সম্মেলনে ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন চিনা সেনার দুরভিসন্ধির শেষ নেই। তাই প্রত্যেক মুহুর্তে সতর্ক থাকতে হবে। চিনের প্রতিটি পদক্ষেপ দখলদারি মনোভাবমূলক। সেই সব আগ্রাসী পদক্ষেপ ঠেকাতে হবে ভারতকে। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর ট্যুইট করেন রাজনাথ। সেখানে তিনি লেখেন, ভারতীয় সেনার প্রতিটি মুভমেন্টের জন্য গর্বিত তিনি। দেশের সম্পদ সেনা। দেশের প্রতিটি ইঞ্চিকে সুরক্ষা যোগাচ্ছে আমাদের সেনা।

রাজনাথ সিং বলেন ভারত সর্বদা তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলে। কিন্তু তাতে যদি কেই মনে করে ভারত দুর্বল তাহলে সেই দেশ ভুল করবে। এই ভাষাতেই শত্রুপক্ষকে বার্তা দেন তিনি। দেশের অখণ্ডতা আর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সর্বদা মরিয়া প্রয়াস চালায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু ভারতীয় জওয়ানরা মাথা নিচু করবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। ভারত চিনের সঙ্গে প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করে নেয়। যার মধ্যে বড় অংশ পড়ে সিকিম আর অরুণাচল প্রদেশে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।