এই মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে মহামারীর ত্রাস চলছে। পশ্চিমবঙ্গের লকডাউন (lockdown) শুরু হয়েছে।

এর ফলে বহু মানুষ অনিশ্চিতভাবে দিন কাটাচ্ছেন। বিভিন্ন দুশ্চিন্তা গ্রাস করছে।

যার কারনে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মানসিক অবসাদ ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে এই সময়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity power) সহজেই কমে যেতে পারে।

যার ফলে ভাইরাসটি সহজেই আক্রমণ করতে পারে। তাই এই সময় সবথেকে প্রয়োজনীয় বিষয় হলো শরীর সুস্থ রাখা।

এটা করতে শুধু স্বাস্থ্যকর ডায়েট মানলেই চলবে না তার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জলপান এবং জীবন ধারায় পরিবর্তন (lifestyle) করতে হবে। এর মধ্যেই আবার প্রচন্ড গরমে অন্যান্য অনেক রকমের শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে অনেকেরই।

তাই খাওয়া-দাওয়া যেন হয় সহজপাচ্য এবং হজমে (digstion) যেন কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এ সময় আমরা অনেক রকম ঠাণ্ডা পানীয়ের (cold drinks) দিকে ঝুঁকে পড়ি।

তাই আজকে এমন একটি রেসিপি শেয়ার করলাম যে আপনাদের শরীর ও মন একেবারে তরতাজা ও ঠাণ্ডা রাখবে এই প্রচণ্ড গরমে। পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity power)  গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

বড় থেকে ছোট বাড়ির সকলেই পানীয় পান করতে পারেন যেকোনো সময়। এটি হলো “বিটের স্মুদি” (beetroot smoothie)।

উপকরণ: বিটের স্মুদি (beetroot smoothie) বানাতে লাগবে বিট, টমেটো এবং পাতিলেবু।

কীভাবে বানাবেন: একটি বিট পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ফেলুন। দুটো টমেটো কেটে নিয়ে তার থেকে বীজগুলো বার করে নেন এবং সেগুলি টুকরো করে কেটে নিন।

এবার মিক্সারে দুটোকে মিশিয়ে নিন। একটি থকথকে মিশ্রণ তৈরি হবে।

এবার সেটিকে একটি গ্লাসে ঢেলে নিয়ে এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে দিন এবং নেড়ে নিন। তৈরি আপনার বিটের স্মুদি (beetroot smoothie)।

এর মধ্যে চাইলে বরফকুচি বা বরফের টুকরো ঢেলে দিতে পারেন। উপর থেকে পুদিনা পাতা (mint leaves) দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

উপকার: এই পানীয়টি আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (blood pressure) করতে সাহায্য করে। এছাড়া যারা অ্যাথলেট তাদের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity power) নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বিট এমন একটি সব্জি যা ফাইবার, ভিটামিন বি নাইন, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, আয়রন, এবং ভিটামিন সি-তে পরিপূর্ণ। তাই এটি শরীরে রক্ত প্রবাহ (blood circulation) স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.