মানুষের জীবনের একটি কঠিন অধ্যায় হল ব্রেকআপ বা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া। এই সময় বহু মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

যে মানুষটিকে আপনি সবথেকে বেশি ভালোবাসলেন সে মানুষটি যদি আপনাকে সব থেকে বেশি ঘৃণা করে তাহলে এমন ভাবনা আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন কি যে এই সময়টিকেই আপনি আপনার জীবনের সব থেকে মূল্যবান সময় হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন?

পুরনো সম্পর্ক এবং নিজের প্রাক্তনকে ভুলে যাওয়া অতটা সোজা নয়। কিন্তু জীবনে এগিয়ে যাওয়াটাই মূলমন্ত্র হোক আপনার। উপায় জানাচ্ছি আমরা।

১. প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গেছেন। তার সম্পর্কে নানা গল্প থাকে।

আরো পোস্ট- সুস্থ হওয়ার কিছু মাস পরেও করোনায় হতে পারে মৃত্যু!

সেই সম্পর্কের ব্যাপারে আপনি অন্য কাউকে যেভাবে বলবেন আপনার প্রাক্তন (ex partner) সেটিকে অন্যভাবে বলতে পারে। আপনাদের গল্পটি আপনি আপনার মত করে সাজিয়ে কাউকে বলুন বা নিজের মনের কথা ডাইরিতে লিখুন। কেন আপনাদের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে গেছে বা সেটাকে নিয়ে আপনি কোন দিক থেকে খারাপ ভাবছেন তা লিখুন।

কোন বিষয়গুলো আপনার খারাপ লাগছে সেই গুলো খুজে বের করুন এবং এমন কিছু বিষয় দেখুন যেখানে আপনার ভুল থাকতে পারে।

এর পরে আপনি যে যে বিষয় গুলো খুঁজে বার করলেন সেগুলোকে নিয়ে আবার পরে সেই গল্পটি সাজিয়ে লিখুন। এটি শুধুমাত্র আপনার ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে আপনাকে সাহায্য করবে না বরঞ্চ আপনার যে ভুলগুলি রয়েছে সেগুলো শুধরানোর সুযোগ আপনি খুঁজে পাবেন।

২. একটা সম্পর্ক থেকে বিচ্ছেদের পরে আপনি প্রথমে মনে মনে ভাবুন যে আপনি একটা সম্পর্ক থেকে ঠিক কী কী চান। এই মুহূর্তে আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতে সম্পর্কগুলি (future relationships) থেকে আপনার কি প্রত্যাশা সেটা আপনাকে ভাবতে হবে।

অবশ্যই আপনি কোন মানুষের থেকে কি ধরনের ব্যবহার আশা করেন এবং তিনি আপনার জন্য কি কি করুন আপনি কি চান সেটা নিয়েও ভাবুন। আপনি কি চান সে সম্পর্কে আপনার যদি স্বচ্ছ ধারনা থাকে তাহলে ভবিষ্যতে সম্পর্ক গড়তে যাওয়ার আগে আপনি সেই মানুষটিকে সোজাসুজি সেগুলো সম্পর্কে জানিয়ে দিতে পারবেন। এর ফলে পরবর্তীকালে সেগুলো নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

৩. একটি সম্পর্ক ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটা সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার আগে নিজেকে কিছুটা সময় দিন। এই মুহূর্তে আপনার মস্তিষ্ক সবথেকে দোদুল্যমান অবস্থায় থাকে।

তাই আগে মন ও মস্তিষ্ক ঠান্ডা হোক এবং আপনি নিজেকে নিয়ে কিছু সময়ে ভাবুন। তারপর অন্যকে নিয়ে ভাববেন। শুধুমাত্র বিশেষ কোনো চাহিদা থেকে নতুন কোনো মানুষকে খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছে মনে আনবেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.