তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: সবে ভোরের আলো ফুটেছে। শীত শীত আবহে ঘুম ঘুম চোখে প্রতিদিনের অভ্যাস মতো সবে মাত্র গ্রামের মাঠে কেউ প্রাতঃকৃত্য সেরেছেন বা সারছেন। হঠাৎ সেখানে সদলবলে হাজির বাঁকুড়ার ইন্দাসের বিডিও মানসী ভদ্র চক্রবর্ত্তী। এই অবস্থায় লজ্জায় মাথা কাটা যায় আর কি!

কিন্তু সাত সকালে গ্রামের মাঠে ‘বিডিও ম্যাডাম’ কেন! এই প্রশ্নের উত্তর মিললো খানিক পরে…। ‘মিশন নির্মল বাংলা’ প্রকল্পে জেলা জুড়ে নির্মল সপ্তাহ পালনের কর্মসূচি চলছে। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে প্রতিটি মানুষকে শৌচালয় ব্যবহার করতে হবে৷

শুক্রবার সাত সকালে ইন্দাসের রোল গ্রামে এই কাজে ‘গান্ধীগিরি’র আশ্রয় নিলেন বিডিও মানসী ভদ্র চক্রবর্ত্তী। গ্রামে পৌঁছেই তিনি খোঁজ নিয়ে তিনি পৌঁছে যান স্থানীয় মানুষের প্রতিদিনকার শৌচকর্মের ব্যবহৃত গ্রামের ঝোপ-ঝাড় যুক্ত মাঠে। খোলা মাঠে শৌচকর্ম সারা নারী-পুরুষ সর্বশেষে সবাইকে খাইয়েছেন লাড্ডু। নমস্কার বিনিময়ের পর ‘খুব ভালো কাজ করছেন ও করেছেন’ বলে তুলে দিয়েছেন লাড্ডু। লজ্জায় নিজের নামটাও বলতে পারেননি কেউ।

এই ঘটনার রোল গ্রামের পর উপস্থিত সবাই এক বাক্যে বিডিওর কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন, আর খোলা মাঠে শৌচকর্ম নয়। প্রত্যেকে শৌচাগার ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলবেন।

পরে বিডিও মানসী ভদ্র চক্রবর্ত্তী টেলিফোনে বলেন, মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে জেলা জুড়ে ৯ তারিখ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচি চলছে। ১০০ শতাংশ মানুষকে শৌচালয় ব্যবহার করানোর লক্ষ্য মাত্রা রাখা হয়েছে। আর সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।