মুম্বই: করোনার গ্রাসে আইপিএল৷ প্রতিদিন বায়ো-বাবেলে থাকা ক্রিকেটাররা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার মাঝপথেই ২০২১ স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই৷ আর এতে বোর্ডের ক্ষতি দু’ থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা৷

আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ শুরু হয়েছিল ৯ এপ্রিল৷ আর শেষ ম্যাচ হয়েছে ২ মে৷ সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ম্যাচ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল৷ কারণ নিয়মানুসারে দলের কোনও ক্রিকেটারের কোভিড রিপোর্ট এলে দলের বাকি সদস্য অন্তত পাঁচ থেকে ছ’দিনের আইসোলেশনে থাকতে হয়৷ ফলে সোমবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ম্যাচ স্থগিত হয়ে যায়৷ এদিন চেন্নাই সুপার কিংস দলের সঙ্গে যুক্ত তিনজনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

মঙ্গলবার ফের করোনা আক্রান্ত হন আইপিএলের একাধিক ক্রিকেটার৷ সানরাইজার্স হায়দরাবেদের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের লেগ-স্পিনার অমিত মিশ্রের কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ আসে৷ এরপরই তড়িঘড়ি জরুরি বৈঠকের পর আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ আপাতত স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়৷ বোর্ড আধিকারিক ও গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা৷ বৈঠকের পরই বিসিসিআই ভাইস-প্রেসিডেন্ট শুক্লা জানান, ‘বোর্ডের সকল আধিকারিক, কাউন্সিলের সদস্য ও ফ্র্যাঞ্জাইজি এবং ব্রডকাস্টারের সঙ্গে আলোচনা করার পর আপাতত টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে আইপিএল শুরু করা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷’

দেশে করোনার যা পরিস্থিতি তাতে চলতি বছরে আইপিএল আর শুরু হবে বলে মনে হচ্ছে না৷ ফলে মাত্র ২৯টি ম্যাচের পরই বন্ধ করে দিতে হল ৫২ দিনের এই দিনের টুর্নামেন্ট৷ ৬০ ম্যাচের টুর্নামেন্টের ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ৩০ মে৷ কিন্তু মাত্র ২৪ দিন পরেই করোনার গ্রাসে স্থগিত করে দিতে হল আইপিএল৷ এর ফলে বোর্ডের প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷

বিসিসিআই-এর এক সিনিয়র আধিকারিক পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ‘মাঝপথে আইপিএল স্থগিত হওয়ায় বোর্ডের ২০০০ থেকে ২৫০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে৷ মোটামুটি ২২০০ কোটি টাকা হবে৷’ ৬০টি ম্যাচের এই টুর্নামেন্টের জন্য স্টার স্পোর্টস থেকে প্রতি বছর ৩২৬৯.৪ কোটি টাকা পায়৷ অর্থাৎ ম্যাচ পিছু ৫৪.৫ কোটি টাকা৷ ফলে চলতি আইপিএলে ২৯ ম্যাচের জন্য বোর্ড স্টার স্পোর্টসের থেকে পাবে ১৫৮০ কোটি টাকা৷ অর্থাৎ ১৬৯০ কোটি টাকা কম৷ এছাড়াও টাইটেল স্পনসর ভিভোর থেকে প্রতি মরশুমে বোর্ড পায় ৪৪০ কোটি টাকা৷ কিন্তু বোর্ডে এবার অর্ধেকের কম টাকা পাবে৷ এছাড়াও অনান্য স্পনসরের থেকে মরশুমে বোর্ডের পাওয়ার কথা ছিল ১২০ কোটি টাকা৷ এখানেও প্রায় অর্ধেক টাকা পাবে বোর্ড৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.