মুম্বই: অস্ট্রেলিয়ায় টানা দ্বিতীয়বার টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরে দম ফেলার ফুরসৎ নেই ভারতীয় দলের। ঘরের মাঠে টিম ইন্ডিয়ার সামনে এবার ইংল্যান্ড চ্যালেঞ্জ। ভারতের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে আসছেন জো রুট-বেন স্টোকসরা। ৫ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে প্রথম টেস্ট দিয়ে ভারতের মাটিতে অভিযান শুরু করবে ব্রিটিশরা। চেন্নাইয়ে প্রথম দু’টি টেস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সিরিজের তৃতীয় এবং চতুর্থ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে আমেদাবাদের নবনির্মিত মোতেরা স্টেডিয়ামে।

আর সেই মোতেরাতেই আসন্ন ইংল্যান্ড সিরিজে গ্যালারিতে দর্শক ফেরাতে উদ্যোগী হল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে টেস্ট সিরিজে নয়। সূত্রের খবর, আগামী ১২ মার্চ ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টি২০ ম্যাচে গ্যালারিতে দর্শক সমাগম নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে বিসিসিআই। উল্লেখ্য, করোনা পরবর্তী সময় ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরছে এদেশের মাটিতে। এক বিসিসিআই আধিকারিক এএনআই’কে জানিয়েছেন, ইংল্যান্ড সিরিজে নবরূপে নির্মিত মোতেরায় দর্শক ফেরানোর চেষ্টা করছে বিসিসিআই। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে সরকারি অনুমতি পাওয়ার পরেই।

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ভারত-ইংল্যান্ড উত্তেজক টেস্ট সিরিজের সাক্ষী থাকার জন্য মোতেরা স্টেডিয়াম আমরা অনুরাগীদের জন্য খুলে দিতে চাইছি। তবে ঠিক কত সংখ্যায় দর্শক সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন সেটা এখনও নিশ্চিত হয়। আমরা চাইছি ৫০ শতাংশের কাছাকাছি দর্শক যাতে প্রবেশ করতে পারেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারি অনুমতির উপরেই নির্ভর করছে। নিউ নর্ম্যালের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠলেও মানুষের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তকে আমরা সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেব।’

ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজেও কিছু সংখ্যক দর্শক স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পেতে পারেন। প্রাথমিকভাবে এমনটাও শোনা গিয়েছিল। তবে বোর্ড কিংবা ম্যাচের আয়োজক সংশ্লিষ্ট রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলোর তরফ থেকে এখনও সেবিষয়ে কোনও সিলমোহর দেওয়া হয়নি। সবমিলিয়ে টেস্ট সিরিজ যে দর্শকশূন্য গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হবে, সেটা একপ্রকার নিশ্চিত। কারণ প্রথম দু’টি টেস্টের আয়োজক তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে প্রথম দু’টি টেস্ট ম্যাচে সাধারণের জন্য কোনও টিকিটের ব্যবস্থা তারা রাখছে না।

কিন্তু আসন্ন আইপিএলের কথা মাথায় রেখে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে মাঠে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় দর্শক ফেরাতে চাইছে বিসিসিআই। এতে দেশের মাটিতে ক্রিকেটপ্রেমী জনতা কতটা মাঠমুখো হচ্ছে, সে সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে পারে বোর্ড। পরবর্তীতে দেশের মাটিতে আইপিএলে আয়োজনের একটা মানদন্ড হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে বিষয়টি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।