মুম্বই: অভিযোগ ওঠার পর আর বিলম্ব নয! তড়িঘড়ি অনুরাগ ঠাকুর ও অজয় শিরকেদের নিয়োগ করা কর্মচারীদের ছেঁটে ফেলার রাস্তায় হাঁটল বিসিসিআই৷প্রথম যিনি বলি হলেন, তিনি টিম ইন্ডিয়ার মিডিয়া ম্যানেজার নিশান্ত জিৎ অরোরা৷

বিরাট কোহলিদের মিডিয়া ম্যানেজার নিশান্তের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনেন দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটার৷ আর সোমবারই তাঁকে ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বোর্ড প্রশাসক৷তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটার৷ নাম প্রকাশে অনুচ্ছিক এক সিনিয়র ক্রিকেটারের বক্তব্য ছিল, মিডিয়া ম্যানেজার নিশান্ত ভারতীয় ড্রেসিংরুমের তথ্য পাচার করছেন প্রাক্তন বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের কাছে। লোধা কমিটির সুপারিশ কার্যকর না-করায় অনুরাগে সরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ঠাকুর সরলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ নিশান্ত রয়েছে গিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা নিশান্ত৷ তিনি যে ঠাকুরের কাছে তথ্য পাচার করছেন, তা বিসিসিআইয়ের নজরে আসার পরই সরে দাঁড়ান বিরাটদের মিডিয়া ম্যানেজার৷

গত সপ্তাহে বিসিসিসিআই-এর কাজ পরিচালনার জন্য চার সদস্যেদের কমিটি নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট৷চার সদস্যদের কমিটিতে রয়েছেন ক্যাগের প্রাক্তন আধিকারিক বিনোদ রাই, আইডিএফসি-র এমডি বিক্রম লিমায়ে, মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ডায়না এডুলজি এবং ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ৷ কমিটির প্রধান রাই৷ এই কমিটিই অনুরাগ ঠাকুর ও অজয় শিরকের নিয়োগ করা বোর্ড কর্মচারিদের ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়৷ এ নিয়ে দিল্লিতে ১ ফেব্রুয়ারি সভা করে কমিটি অফ অ্যাডমিস্ট্রেটর (সিওএ)৷ যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সিওএ-র অনুমতি ছাড়া বোর্ডে কোনও স্টাফ নিয়োগ করা যাবে না৷ আইপিএল ও বোর্ড সিইও রাহুল জহুরি প্রয়োজনে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করতে পারবে৷ কিন্তু তাদের মেয়াদ যেন চার মাসের বেশি না হয়৷