মুম্বই: করোনাভাইরাস অতিমারীর কারণে গত মরশুমে রঞ্জি ট্রফি আয়োজন করতে পারেনি বিসিসিআই৷ এবারও করোনা দাপট কমেনি৷ তবুও ঘরোয়া ক্রিকেটে ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোর্ড৷ তবে মার্চের পরিবর্তে ডিসেম্বরে শুরু হবে রঞ্জি ট্রফি৷

চলতি মরশুমে সেপ্টেম্বরে সৈয়দ মুস্তাক আলি জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্ট দিয়ে ২০২১-২২ ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম শুরু করতে চলেছে বিসিসিআই৷ তারপর অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে রঞ্জি ট্রফি৷ তিন মাসের এই টুর্নামেন্ট চলবে পরের বছর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত৷ শুক্রবার বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের মিটিংয়ে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ তবে দলীপ ট্রফি, দেওধর ট্রফি এবং ইরানি কাপ-সহ মহিলাদের পাঁচটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাপেক্স কাউন্সিল৷

চলতি বছর অক্টোবরে দেশের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপের আসর বসবে। তারপর আগামী বছর আইপিএলের আগে নতুন করে নিলাম আয়োজন করবে বোর্ড। তাই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের মধ্যে মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় বোর্ড। নভেম্বরে হবে বিজয় হজারে ট্রফি। গত বছর করোনা অতিমারীর জন্য দীর্ঘ ৮৭ বছর ঐতিহ্যবাহী রঞ্জি ট্রফি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল বিসিসিআই। কিন্তু এবার পরিস্থিতি এ রকম থাকলেও ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত রঞ্জি ট্রফি আয়োজনের ব্যাপারে সহমত হয়েছে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যরা৷

২০২২ সালে ভারতের মাটিতে হবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। এ কথা মাথায় রেখে কোচবিহার ট্রফি, অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যালেঞ্জার ট্রফি ও ভিনু মানকড় ট্রফি আয়োজন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাপেক্স কাউন্সিল। এছাড়াও মহিলা সিনিয়র ও বয়স ভিত্তিক দলের জন্যও একাধিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনূর্ধ্ব-২৩ কর্নেল সিকে নায়ডু ট্রফি ও জাতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে মহিলাদের টি-২০ এবং ওয়ান ডে চ্যালেঞ্জার ট্রফি এবার আয়োজিত হবে না৷ পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-২৩ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলাদের টি-২০ চ্যালেঞ্জার ট্রফি আয়োজন না-করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌরভের বোর্ড৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.