নয়াদিল্লি: ভারতীয় ক্রিকেটে ফের স্বার্থ সংঘাতের মতো গুরুতর অভিযোগ। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেটের দিকপাল সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ কিংবা কপিল দেব প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ এসেছিল। কিন্তু একটিও ধোপে টেকেনি।এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোধা কমিটির সুপারিশকে ‘অবাস্তব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

এবার স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ উঠল খোদ ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে। এক ব্যক্তি এক পদ অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত একাধিক পদে থাকতে পারবেন না। লোধা কমিটির এই প্রস্তাব ভারতীয় ক্রিকেটের সংবিধানে মান্যতা পেয়েছেন অনেক আগেই। আর ঠিক এই নিয়মের গেরোতেই অতীতে আটকে গিয়েছিলেন সচিন-সৌরভরা। এবার অভিযোগের আঙুল কোহলির দিকে।

মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের লাইফ মেম্বার সম্প্রতি স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ এনেছেন কোহলির বিরুদ্ধে। এই মর্মে বোর্ডের এথিক্স অফিসার ডিকে জৈনকে খোলা চিঠিও লিখেছেন তিনি। সঞ্জীব গুপ্তা দাবি করেছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি একাধারে জাতীয় দলের ক্রিকেটার এবং অধিনায়ক একইসঙ্গে কর্ণারস্টোন ভেঞ্চার পার্টনারস এলএলপি’র ডিরেক্টর। যেটি একটি স্পোর্টস মার্কেটিং কোম্পানি, যারা দেশের ক্রিকেটারদের বাণিজ্যিক স্বার্থের দিকটি দেখাশোনা করে। এই মর্মে ভারতীয় ক্রিকেটের সংবিধানের ৩৮(৪) ধারায় লোধা কমিটির সুপারিশ অগ্রাহ্য করায় কোহলির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন গুপ্তা।

বোর্ডের এথিক্স অফিসার অভিযোগের চিঠি পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। জৈন জানিয়েছেন, অভিযোগ কতোটা যুক্তিযুক্ত বিষয়টা খতিয়ে দেখছেন তিনি। অভিযোগ যথার্থ প্রমাণিত হলে এ বিষয়ে কোহলির সঙ্গে কথাও বলবেন তিনি। কর্ণারস্টোন ভেঞ্চার পার্টনার এলএলপি ছাড়াও বিরাট কোহলি স্পোর্টস এলএলপি’র ডিরেক্টর পদেও আসীন কোহলি। এই মর্মে আর একটি অভিযোগ বোর্ডের এথিক্স অফিসারের কাছে জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিরেক্টর পদে আসীন হলেও কর্ণারস্টোন ভেঞ্চারে কোহলির কোনও ভূমিকা নেই বলেই জানা গিয়েছে। কোহলি ছাড়াও তাঁর অন্যান্য সতীর্থ যেমন-লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা, উমেশ যাদব, ঋষভ পন্ত, কুলদীপ যাদবের বাণিজ্যিক স্বার্থের দিকটিও দেখাশোনা করে কোম্পানিটি। তাই সঞ্জীব গুপ্তার অভিযোগ এক্ষেত্রেও কতোটা ধোপে টেকে এখন সেটাই দেখার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ