মুম্বই: পুলওয়ামায় ভারতীয় জওয়ানদের উপর জঙ্গি হামলার ঘটনার পর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ বয়কটের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে৷ ১৬ জুন ম্যাঞ্চেস্টারে বিশ্বকাপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত দল নামাবে কিনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন সরকার ও বোর্ডের কোর্টে৷ এবার পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে এবার আরও কড়া পক্ষদেপের ভাবনায় বিসিসিআই৷ বোর্ড কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে পুলওয়ামা হামলার প্রভাব পড়তে পারে আইপিএলে৷

আরও পড়ুন- বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক: ভারতীয় বায়ুসেনাকে স্যালুট সচিনের

কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার পর বিদেশি ক্রিকেটারদের পাকিস্তানের ক্রিকেট লিগে অংশগ্রহণে রাশ টানাতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড৷

ভারতের মিলিয়ন ডলার ক্রিকেট লিগ আইপিএলে শেষ এক দশকে দারুণ জনপ্রিয়৷ ভারতের ক্রিকেট লিগে খেলতে মুখিয়ে থাকেন দেশ-বিদেশের ক্রিকেটাররা৷ আইপিএলে খেলতে চাইলে সেক্ষেত্রে পিএসএল বয়কট করার জন্য ক্রিকেটারদের কাছে আবেদন জানানোর ভাবনা বোর্ডের৷ তবে পুরো পরিকল্পনাই এখন আলোচনা স্তরে৷ জানা গিয়েছে, এই নিয়ে বোর্ডের অন্তরে বৈঠকও হয়েছে৷ বিষয়টি নিয়ে অবশ্য কোনও সিদ্ধান্তে শিলমোহর দেয়নি বোর্ড৷

আরও প়ড়ুন- ‘শুধর যাও ওয়ারনা শুধার দেঙ্গে’ ভারতীয় বায়ুসেনার সাফল্যে টুইট বীরু-গোতির

পুলওয়ামা সন্ত্রাস হামলার পর ইতিমধ্যে এদেশে পিএসএল সম্প্রচার বন্ধ করে জোড় ধাক্কা দিয়েছে ভারত৷ এবার আইপিএলে খেলতে চাইলে বিদেশি ক্রিকেটারদের পিএসএল খেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে পাকিস্তানকেও আরও চাপে ফেলতে পারে বিসিসিআই৷ সেক্ষেত্রে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনার করতে পারে বিসিসিআই৷ এখনও  অবশ্য এই নিয়ে ভারতীয় বোর্ড কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি৷

আরও পড়ুন-বিশ্বকাপে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার আশ্বাস আইসিসি-র

আইপিএলের পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগে খেলেন এবি ডি’ভিলিয়ার্স, ডোয়েন ব্রাভো, সুনীল নারিন, কার্লোস ব্রাথওয়েট, কলিন ইনগ্রামের মতো মার্কি ক্রিকেটাররা৷ সেক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলি এই ক্রিকেটারদের আইপিএলে নিলামের মাধ্যমে দলে নেয়৷ সেকারণে পিএসএলে খেলা নিয়ে ক্রিকেটারদের উপর সরাসরি চাপ বাড়ানোর পথ নেই বোর্ডের৷ ফ্র্যাঞ্চাইজির মাধ্যমেই সেই পথে হাঁটতে পারে বোর্ড৷ পুরো বিষয়টিই অবশ্য এখন আলোচনা স্তরে৷ কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে আইপিএল বা পিএসএলের মধ্যে বিদেশি ক্রিকেটারদের কোনও একটি লিগ বেছে নিতে হবে৷ বোর্ডের বৈঠকে এই আলোচনা নিয়ে ক্রিকেটমহলে জল্পনা তুঙ্গে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।