পাটনা: আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে বিহারে ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু। এই নির্বাচনে চিনের তরফে বেশ কিছু দূরাভিসন্ধি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে নেপালের একাধিক জায়গায় প্রবেশ করেছে চিন। তাই বিহারের যে সব জেলার সীমান্ত নেপালের সঙ্গে রয়েছে, সেই সব এলাকাকে সতর্ক করা হয়েছে।

আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, বর্ডার থেকে হয়তো রাজনীতিবিদদের অবৈধ সহায়তা সরবরাহ দেওয়া হতে পারে, তাই সতর্ক করা হয়েছে ওই বর্ডারগুলিকে।

মুজাফফরপুরের আইজি গণেশ কুমার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী থানাগুলিকে আরও সজাগ থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি কোনও ধরণের চোরাচালান বা অপরাধ্মূলক তৎপরতা দেখা যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, চিন নেপালের মাধ্যমে বিহার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে মদ, অস্ত্র এবং অর্থ সরবরাহ করতে পারে। এক্ষেত্রে নেপাল্কে আশ্রয় করেই চিন সীমান্তে ওইসব কাজ, স্মাগলিং চালাতে পারে। যেহেতু চিন সরাসরি বিহারে কিছুই করতে পারবে না, তাই নেপালের নেতাদের এবং সংস্থাগুলির সহায়তা চাইতে পারে তাঁরা।

উল্লেখ্য, নেপালের সঙ্গে চিনা সম্পর্ক নিয়ে বিহার সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার উভয়ই অত্যন্ত সতর্ক। কারণ নেপালও চিনের চালের জোরে ভারতের বিরুদ্ধে বিপরীত পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ইতিমধ্যেই বিহার-নেপাল সীমান্তের পশ্চিম চম্পারান, পূর্ব চম্পারান, মধুবনী, সীতামারহি, আরারিয়া, মুজাফফরপুরের মতো এলাকায় পুলিশ অফিসারদের মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁরা এসব এলাকায় নিয়মিত ভাবে কঠোর দৃষ্টি রাখবেন ও প্রতিদিনের রিপোর্ট সরকারকে পাঠাতে হবে। যাতে যে কোনও ধরণের সন্দেহজনক ক্রিয়াকলাপ অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।