কলকাতা: এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ। একজনের সুপার কুল ফাঙ্কি লুক, তো আরেকজনের কিউটনেস সম্বলিত হটনেস। তা দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। হবে নাই বা কেন বলুন টলিউডে এই প্রথম আত্মপ্রকাশ করছে এই জুটি। আমরা কথা বলছি টলিউডের নতুন জুটি জিৎ মাদনানি এবং মিমি চক্রবর্তীকে নিয়ে। দুজনেই তাদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে অনেক আগেই পৌঁছে গেছেন মানুষের মনের অন্তঃস্থলে। এবার এই জুটিকে আমরা পেতে চলেছি তাঁদের আসন্ন ছবি ‘বাজি’তে।

প্রকাশ্যে এল বাজি ছবির প্রথম গান ‘আয় না কাছে রে’। রোমান্টিক গান কম্পোজ করেছেন, বাংলা এবং হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের সুপারহিট সিঙ্গাল এবং কম্পোজার জিৎ গাঙ্গুলি। গেয়েছেন নাকাশ আজিজ। আর লিরিকস লিখেছেন, প্রতীক কুন্ডু। ছবি প্রযোজনা করেছেন, জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কস। জিৎ প্রেমিকদের জন্য ধামাকাদার সারপ্রাইজ নিয়ে এলেন, এই অভিনেতা। বেশ কয়েকদিন ধরে বড় পর্দায় দেখা যায়নি জিৎকে। তবে এবারে পয়লা বৈশাখে সবার সামনে, সুপার কুল লুকে আত্মপ্রকাশ করে চমকে দিলেন জিৎ। অংশুমান প্রত্যুষ পরিচালিত এই ছবি নিয়ে অনেকদিন আগে থেকেই দর্শকদের মনে উত্তেজনা ছিল চরমে। গানটি ভিডিও শুরু হচ্ছে, সানগ্লাস দিয়ে জিৎ এর হিরোইক কায়দাতে। দারুন ডান্স স্টেপে বিদেশের মাটিতে জিৎ মিমিকে কাছে আসতে বলছে, বুকের ভেতরে রানি করে রেখে দেবে বলে। গানটির ভিডিওতে নায়ক নায়িকার লুক ছাড়াও নজর কাড়বে ডান্স কোরিওগ্রাফি।

গত বছরের ইদে মুক্তি পাবার কথা ছিল ‘বাজি’র। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির জন্য তা আটকে যায়। পিছিয়ে যায় বাজির মুক্তি। কারণ জিৎ নিজেই তাঁর সোশ্যাল সাইটে এই কথা শেয়ার করেন যে, প্যানডেমিক পরিস্থিতির কারণে তাদের লন্ডনের শুটিং ইমিডিয়েটলি বন্ধ করে ভারতে ফেরত আসতে হচ্ছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে এ বছরের নববর্ষ এর হৈ হুল্লোড়টা বরং বাড়িতে থেকে মিউজিকালি হোক। এমন বার্তাই উঠে এলো জিতের নববর্ষের সারপ্রাইজে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.