বুদাপেস্ট: সুপার-সাব জাভি মার্টিনেজের ১০৪ মিনিটের গোলে উয়েফা সুপার কাপ জিতল বায়ার্ন মিউনিখ। বৃহস্পতিবার পুসকাস এরিনায় সেভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে মরশুমের শুরুতেই ট্রফি জিতে নিল বাভারিয়ানরা। তবে প্রতিপক্ষ হিসেবে স্পেনের ক্লাব সেভিয়া খুব একটা সহজ প্রতিপন্ন হয়নি হান্সি ফ্লিকের দলের কাছে।

গত মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সহ ত্রিমুকুট জেতা বায়ার্ন মিউনিখ ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ম্যাচের ১৩ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে। বার্সেলোনা থেকে ছ’মরশুম পর পুরনো ক্লাবে যোগ দেওয়া ইভান রাকিটিচ এই গোলের নেপথ্য নায়ক। জেসাস নাভাসের ডানপ্রান্তিক একটি ক্রস গোলের সামনে চেস্ট ট্র্যাপ করার সময় রাকিটিচকে অবৈধ উপায়ে বাধা দেন বায়ার্নের লেফট-ব্যাক ডেভিড আলাবা। পেনাল্টি পায় সেভিয়া। স্পটকিক থেকে ম্যানুয়েল নুয়েরকে পরাস্ত করে সেভিয়াকে এগিয়ে দেন লুকাস ওকাম্পোস।

৩৪ মিনিটে যদিও বায়ার্নকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন লিও গোরেৎস্কা। মুলারের ক্রস বক্সে ট্র্যাপ করে গোরেৎস্কার জন্য সাজিয়ে দেন লেওয়ানদোস্কি। জোরালো ভলিতে বল তেকাঠিতে জড়িয়ে দেন গোরেৎস্কা। যদিও মুলার-লেওয়ানদোস্কিরা নিশানায় অব্যর্থ থাকতে পারলে আগেই সমতায় ফিরতে পারত বায়ার্ন। প্রথমার্ধ ১-১ ব্যবধানে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা উপভোগ্য হয়ে উঠলেও দুই গোলরক্ষকের বিশ্বস্ত দস্তানা একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেয়। যার মধ্যে বিশেষ করে নুয়েরের কথা বলতেই হয়।

৮৭ মিনিটে ওয়ান টু ওয়ান সিচুয়েশনে এন নেসিরির প্রচেষ্টা যেভাবে রুখে দেন নুয়ের, তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বায়ার্নের একটি গোল ভিএআরের সাহায্য নিয়ে বাতিলও করেন রেফারি। সবমিলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে কোনও গোল না হওয়ায় উত্তেজক ফাইনাল গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

সেখানেও শুরুতে ফের নেসিরির একটি প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন নুয়ের। বায়ার্ন গোলরক্ষকের পায়ে লেগে নেসিরির প্রচেষ্টা পোস্টে প্রতিহত হয়। শেষমেষ ১০৪ মিনিটে কর্নার থেকে আলাবার নেওয়া একটি জোরালো শট সেভিয়া গোলরক্ষক বোনো রুখে দিলে ফিরতি বল জোরালো হেডে জালে প্রবেশ করান পরিবর্ত মার্টিনেজ। ২০১৩ উয়েফা সুপার কাপেও গোল এসেছিল মার্টিনেজের থেকে। সবমিলিয়ে স্প্যানিয়ার্ডের জয়সূচক গোলেই খেতাব নিশ্চিত হয় বাভারিয়ানদের।

ম্যাচ শেষে নুয়েরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সেভিয়া মিডফিল্ডার ইভান রাকিটিচ। জার্মান গোলরক্ষকের জোড়া সেভ প্রসঙ্গে ক্রোট তারকা বলেন, ‘নুয়ের ফের প্রমাণ করল বায়ার্নের জন্য ও কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কাছে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার দু’টো সুবর্ণ সুযোগ ছিল, কিন্তু নুয়ের সেটা রুখে দিল।’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।