বসিরহাট: ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিলি নিয়ে উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয়। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় স্থানীয়রা। পাল্টা মারধরে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনাখাঁ বটতলা বাজার এলাকায় আমফান পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা তৈরিতে স্বজনপোষণ হয়েছে। সোমবার সকালে ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের নামের তালিকা দেখতে এলাকার তৃণমূলের কার্যালয়ে যান স্থানীয়দের একাংশ।

অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দারা যেতেই ক্ষেপে যান এলাকার তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী। ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের নামের তালিকা দেখতে চাইলে সরাসরি তা নাকচ করে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তৃমূলের নেতারা। মিনাখাঁর বটতলা বাজার চত্বরে তৃণমূলের কার্যালয়ের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বাদানুবাদের পরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বাসিন্দাদের একাংশ। পার্টি অফিস ঘেরাও করে চলে বিক্ষোভ। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। কাগজপত্র ছিঁড়ে, আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে ক্ষিপ্ত জনতা। পাল্টা গ্রামবাসীদের ওপরও চড়াও হয় স্থানীয় তৃণমূলের কয়েকজন।

দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারি শুরু হয়ে যায়। মারামারিতে ৫-৬ জন জখম হয়েছেন। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গ্রামবাসীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, আমফান ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হলেও তাঁদের অনেককেই ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী ত্রাণ বণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন কয়েকজন।

এদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, তাঁদের কার্যালয়ের উপর হামলার ঘটনায় যোগ রয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। রীতিমতো পরিকল্পনা করেই তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে দাবি শাসকদলের নেতাদের। যদিও তৃণমূলের এই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ