ফাইল ছবি

দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ  একের পর এক মধুচক্রের খোঁজ বাংলায়। বারুইপুর এলাকায় মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে বড়সড় মধুচক্রের আসর ফাঁস করল পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই মধুচক্র আসরের মালিক সহ গ্রেফতার হয়েছে ৮ জন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনার পরে এলাকার বিভিন্ন লজ, হোটেলের দিকে কড়া নজর রাখছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে বারুইপুর থানার পুলিশ রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানকার একটি বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেই বাড়িতে ঢুকেই চক্ষুচড়ক অবস্থা তদন্তকারী আধিকারিকদের। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় ৫ মহিলা ও ২ জন পুরুষকে হাতেনাতে ধরেন পুলিশ আধিকারিকরা। গ্রেফতার হয় বাড়ির মালিক ষষ্ঠি ফকির ও তাঁর স্ত্রী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই স্টেশন সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় অপরিচিত মহিলা এবং পুরুষের আনাগোনা ছিল অভিযুক্ত ষষ্ঠীর বাড়িতে। অন্ধকার নামলেই যাতায়াত বেড়ে যেত বলে অভিযোগ। ফলে সন্দেহ দানা বাঁধে এলাকাবাসীর। এরপরই পুলিশি অভিযানে বেড়িয়ে এল আসল ঘটনা। এমনকী এক নাবালিকাকেও দেহ ব্যবসায় নামানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। তাঁকে উদ্ধার করে সরকারি হোমে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

ঘটনার পর জেলা পুলিশের তরফে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, শহরে এখানে ওখানে গজিয়ে উঠেছে নানান অবিধ স্পা, ম্যাসাজ সেন্টার। অধিকাংশ ঠিক থাকলেও বেশ কয়েকটি হয়ে উঠেছে নানান অবিধ কাজের জায়গা। আর শহরের বিলাসবহুল এলাকা বা জনবহুল এলাকাতেই রমরমিয়ে চলেছে এই মধুচক্রের কারবার।

শুধুমাত্র এবছরেই একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। কখনও বালিগঞ্জ আবার কখনও রাসবিহারী বারেবারে পর্দাফাঁস হয়েছে বারবার। তবে এবার যৌথ অভিযান চালালো কলকাতা পুলিশ।

আর যৌথ অভিযানে ফসল একেবারে হাতেহাতে। রবিবারে তল্লাশি অভিজান চলায় পুলিশের গুণ্ডা দমন শাখা, গোয়েন্দা বিভাগ ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। অভিযানে গ্রেফতার করা হয় মোট ৬৫ জনকে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।