সেভিয়া: দীর্ঘ ট্রফি খরা, লিও মেসির মরশুম শেষে ক্লাব ছাড়ার জল্পনা। এমতাবস্থায় ক্লাবের অন্দরমহলে গুমোট পরিবেশটা কাটাতে একটা ট্রফি জয় অত্যন্ত জরুরি ছিল বার্সেলোনার। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছুটি হয়ে গিয়েছে আগেই, লা লিগা খেতাব সুনিশ্চিত নয় কোনওমতেই। এমতাবস্থায় কোপা দেল রে ট্রফিটাকেই পাখির চোখ করেছিলেন বার্সেলোনা ফুটবলাররা। ফুটবলাররা জানতেন এই ট্রফি বদলে দিতে পারে গোটা দলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। সেইমতো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েই এদিন কোপা দেল রে ফাইনালে অ্যাথলেটিকো বিলবাও’য়ের মুখোমুখি হয়েছিল কাতালোনিয়া ক্লাব।

দীর্ঘ দু’বছরের খরা কাটিয়ে অবশেষে বার্সেলোনার ক্যাবিনেটে ঢুকল ট্রফি। বিলবাওকে ৪-০ গোলে পর্যুদস্ত করে ৩১ বারের জন্য কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হল বার্সেলোনা। কাতালোনিয়া ক্লাবের হয়ে ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যানের এটাই প্রথম ট্রফি। অন্যদিকে জোয়ান ল্যাপোর্তে বার্সা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর পর এটা তাঁরও প্রথম ট্রফি। তবে জোড়া গোল করে প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি ক্লাবের হয়ে এদিন সপ্তমবারের জন্য জিতলেন কোপা দেল রে ট্রফি।

যদিও মেগা ফাইনালে এদিন ৬০ মিনিট অবধি ম্যাচের গতিপ্রকৃতি দেখে বোঝার উপায় ছিল না বার্সেলোনার লড়াইটা শেষমেষ এতোটা সহজ হতে চলেছে। মাত্র ১২ মিনিটের ঝড়ে এদিন বার্সেলোনার সামনে উড়ে যায় অ্যাথলেটিক বিলবাও। ১৫ দিনের মধ্যে এই নিয়ে দু’বার কোপা দেল রে ট্রফি জয় থেকে বঞ্চিত হল তারা। গত ৩ এপ্রিল ২০২০ করোনার জেরে স্থগিত হয়ে যাওয়া কোপা দেল রে ফাইনালেও হারতে হয়েছিল তাদের। রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে ২০২০ কোপা দেল রে ফাইনালে ০-১ হেরেছিল বিলবাও।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর এদিন ৬০ মিনিটে বার্সেলোনার হয়ে প্রথম গোলটি করেন আতোয়াঁ গ্রিজম্যান। এরপর ৬৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফ্রেঙ্কি ডি জং। ৬৮ এবং ৭২ মিনিটে বিলবাও’য়ের কফিনে তৃতীয় এবং চতুর্থ পেরেকটি পুঁতে ট্রফি জয় নিশ্চিত করেন আর্জেন্তাইন সুপারস্টার লিও মেসি।

বার্সেলোনায় তাঁর কোচিং কেরিয়ারের পয়লা নম্বর ট্রফি জিতে কোম্যান জানান, ‘একটা খেতাব জয় আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ক্লাবে অনেক পরিবর্তন এসেছে, নতুন ফুটবলারদের আগমণ ঘটেছে। তবু বার্সেলোনায় থাকা মানে তোমাকে ট্রফির জন্য লড়াই জারি রাখতে হবে। আপাতত প্রথম ট্রফিটা জেতা হয়ে গেল। এখন লা লিগার শেষ ম্যাচ অবধি আমাদের খেতাব দৌড় জারি থাকবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.