বার্সেলোনা: এক দশকেরও বেশি সময় পর ২০১৯-২০ সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে জঘন্য মরশুম কাটিয়েছেন বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে ট্রফিহীন হয়ে শেষ করার পরেই ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়েছিল। ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোসেপ বার্তোমেউ’য়ের পদত্যাগ দাবি করেন সমর্থকেরা। ক্লাবের মধ্যমনি লিওনেল মেসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিত্বের সংঘাতের জেরে ক্লাব ছাড়তে উদ্যত হন। সবমিলিয়ে চলতি মরশুম শুরুর আগে ব্যাপক ডামাডোলের সাক্ষী থাকে বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাব।

ডামাডোলের কেন্দ্রে যিনি, সেই জোসেপ বার্তোমেউ অবশেষে বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মঙ্গলবার। বার্তোমেউ’য়ের মেয়াদ শেষের আগে আভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত বার্সেলোনা ক্লাবের সভ্য-সমর্থকেরা আগামী সপ্তাহে ক্লাবে একটি আস্থা ভোটের আয়োজন করে। সেই আস্থা ভোটে জিততে মাত্র এক তৃতীয়াংশ ভোট দরকার ছিল বার্তোমেউ’য়ের। কিন্তু ললাট-লিখন বোধহয় পড়ে ফেলেছিলেন বার্তোমেউ। তাই আস্থা ভোটের আগেই সদলবলে পদত্যাগ করলেন তিনি।

সদলবলে বলতে বোর্ডের সমস্ত ডিরেক্টরদের সঙ্গে নিয়েই এদিন পদত্যাগ করলেন জোসেপ বার্তোমেউ। অতিমারী পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে সভ্য-সমর্থকদের স্বাস্থ্যের কথা তুলে ধরে প্রাথমিকভাবে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন বার্তোমেউ। কিন্তু স্থানীয় আধিকারিকেরা প্রশাসনের অনুমতি জোগাড় করে ফেলতেই পদত্যাগ করলেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। বায়ার্নের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়া। এরপর মেসি ক্লাব ছাড়তে চাইলে ক্লাবের ২০ হাজারেরও বেশি সদস্য বার্তোমেউ এবং তাঁর বোর্ডের বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছিল।

পদত্যাগ করে বার্তোমেউ জানিয়েছেন, ‘আমাদের দায়িত্ব সহকারে আচরণ করতে হবে। এহেন পরিস্থিতিতে কখনোই নির্বাচন সম্পন্ন হতে পারে না। মানুষের স্বাস্থ্যে সংক্রান্ত নিশ্চয়তা পাওয়া গেলে তবেই এই নির্বাচন সম্ভব। আর সেই কারণেই আমরা নির্বাচনের পথে না হেঁটে পরিবর্তে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলাম।’ উল্লেখ্য, মরশুম শেষে লিওনেল মেসি ক্লাবের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে বার্সেলোনা ছাড়তে চাইলেও তাঁকে ক্লাব ছাড়তে দেননি বার্তোমেউ। পরিপ্রেক্ষিতে মেসি জানিয়েছিলেন ক্লাবের সভাপতি তাঁর সঙ্গে কথার খেলাপ করেছেন। বহুদিন ধরেই ক্লাবের মসনদে বসে থাকা জোসেপ বার্তোমেউ এবং তাঁর সহকারীদের আচরণে ক্ষুব্ধ মেসি তাঁর হতাশা উগড়ে দিয়েছিলেন গোল.কমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে।

ক্লাবকে তিনি ভালোবাসেন বলেই আইনি পথে তিনি হাটেননি। জানিয়েছিলেন আর্জেন্তাইন সুপারস্টার। বার্তোমেউ পদত্যগ করায় আগামী নির্বাচনের আগে অবধি একটি অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠিত হবে, যারা সাময়িকভাবে ক্লাবের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.