বার্সেলোনা: চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেছেন বেশি দিন হয়নি৷ শুরুর দিকে কয়েকটা ম্যাচে জড়তা থাকলেও অবশেষে ছন্দে ফিরলেন লুইস সুয়ারেজ৷ উরুগুয়েন তারকার জোড়া গোলেই ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ইন্টার মিলানকে ২-১ গোলে হারাল বার্সেলোনা৷

আরও পড়ুন: বায়ার্নের কাছে সাত গোলে লজ্জার হার টটেনহ্যামের

একসময় ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে হারের আতঙ্ক চেপে বসেছিল বার্সেলোনার ঘাড়ে৷ সিরি-এ দলটির আর্জেন্তাইন তারকা লতারো মার্টিনেজ ম্যাচ শুরুর পর হাওয়া গরম হওয়ার আগেই বার্সার জালে বল জড়িয়ে দেন৷ ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে মাঠ ছাড়া বার্সেলোনাকে দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে উদ্ধার করেন সুয়ারেজ৷

চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা বার্সা অধিনায়ক মেসি গোল না পেলেও নজর কাড়া ফুটবল খেলেন৷ ম্যাচের শুরু থেকেই তাঁকে মাঠে নামান বার্সা কোচ৷ সুয়ারেজকে দলের জয়সূচক গোলের বল সাজিয়ে দেন মেসিই৷

আরও পড়ুন: বেঁকে বসল লাল-হলুদ, ইস্টবেঙ্গল-কাস্টমস ঘিরে অনিশ্চয়তা

ম্যাচের ২ মিনিটের মাথায় অ্যালেক্সিস স্যাঞ্চেজের পাস থেকে বার্সেলোনার জালে বল জড়ান মার্টিনেজ৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটিই তাঁর প্রথম গোল৷ ম্যাচের প্রথমার্ধে আর কোনও গোল হয়নি৷ দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য রীতিমতো মরিয়া দেখায় বার্সেলোনাকে৷ ৫৮ মিনিটে ভিদালের পাস থেকে বার্সাকে সমতায় ফেরান সুয়ারেজ৷ ৮৪ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন সুয়ারেজই৷

আরও পড়ুন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁলেন রোনাল্ডো

ইন্টার মিলানকে হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে অপরাজিত থাকার নিরিখে রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে যায় বার্সেলোনা৷ নিজেদের মাঠে এই নিয়ে টানা ৩৩টি ম্যাচে অপরাজিত থাকে বার্সেলোনা৷ রিয়াল মাদ্রিদ ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়ে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩২ ম্যাচে অপরাজিত ছিল৷ এই নিরিখে বার্সেলোনার আগে রয়েছে কেবল বায়ার্ন মিউনিখ৷ ১৯৬৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মোট ৪৩টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল বায়ার্ন৷